
গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সহায়তায় ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পেয়েছে দুটি পরিবার। গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং ফ্রেন্ডস ইন ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশের (এফআইভিডিবি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমা দাবির অর্থ হস্তান্তরের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
তাদের মৃত্যুর ফলে পরিবারের ওপর ঋণের চাপ তৈরি হলেও বিমা সুবিধার কারণে সেই দায় থেকে মুক্তি পায় দুই পরিবার। আজ বুধবার সিলেটের খাদিমনগরের কল্লাগ্রামে অবস্থিত এফআইভিডিবি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফ সংশ্লিষ্ট ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে।
সম্প্রতি এফআইভিডিবির দুই ঋণগ্রহীতা অঞ্জুয়ে নায়েক ও জাফুরা বেগম যথাক্রমে ৭০ হাজার ও ৬০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধের আগেই ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জ্বরজনিত কারণে অঞ্জুয়ে নায়েক এবং ৮ ফেব্রুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে জাফুরা বেগম মৃত্যুবরণ করেন।
আজকের বিমার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে তাদের প্রাপ্য বিমা দাবির অর্থ তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকার এই অঙ্গীকার আমরা ধরে রাখব।’
এফআইভিডিবির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বজলে মোস্তফা রাজী বলেন, ‘আমাদের সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গার্ডিয়ান লাইফের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন উদ্যোগ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে সদস্যদের পরিবারের জন্য কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করে।’

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে রংপুর শহরের মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কে গড়ে উঠেছে অন্তত ১২টি অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি স্ট্যান্ড। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ক্রমেই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে, বাড়ছে যানজট, সেই সঙ্গে ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা।
১৬ মিনিট আগে
রাজধানীতে মশা নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও কমছে না তার উপদ্রব। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। ইতিমধ্যে মশা মারতে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা এবং প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।
২৬ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মালিক মিয়া (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২৮ মিনিট আগে
‘হঠাৎ করেই আমার মেয়ে ছটফট শুরু করল। নার্স এসে তড়িঘড়ি করে অক্সিজেন দিল। একটা ইনজেকশন দিল। বড় একটা স্যালাইনও লাগাল। তারপরই নাক-মুখ দিয়ে রক্ত এল। মেয়ে আমার দুনিয়া থেকে চলে গেল। আমরা আর কিছুই করতে পারলাম না।’ এসব কথা বলে মোবাইল ফোনেই কাঁদতে লাগলেন চামেলী খাতুন। আর কথা বলতে পারলেন না।
১ ঘণ্টা আগে