
কোরবানির পশুর প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আল্লাহ তাআলা বান্দার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তবে এই ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য পশু জবাইয়ের সঠিক নিয়ম জানা থাকা প্রয়োজন।
পশু জবাই সহিহ্ বা শুদ্ধ হওয়ার জন্য প্রধান তিনটি শর্ত রয়েছে:
পশুকে কিবলার দিকে মুখ করে শোয়ানোর পর এই দোয়া পাঠ করা উত্তম:
আরবি দোয়া:
إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا، وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي، وَنُسُكِي، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ، وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ، وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ، اللَّهُمَّ مِنْكَ، وَلَكَ.... بِسْمِ اللهِ اَللهُ اَكْبَر
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযি ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বা আলা মিল্লাতি ইবরাহিমা হানিফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকিন। ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। লা শারিকা লাহু ওয়া বিযালিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমিন। বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাক।’
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আমার মুখমণ্ডল তাঁর দিকে ফিরাচ্ছি, যিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, ইবরাহিম (আ.)-এর মিল্লাতের ওপর, একনিষ্ঠভাবে এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু—সবকিছু আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। তাঁর কোনো শরিক নেই। এরই জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর নামে, আল্লাহ সর্বমহান। হে আল্লাহ! (এই কোরবানি) তোমার পক্ষ থেকে এবং তোমারই জন্য।
তবে কেউ শুধু ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে নালিগুলো কেটে দিলেও কোরবানি শুদ্ধ হয়ে যাবে।
ইসলাম পশুদের প্রতি মানবিক হওয়ার নির্দেশ দেয়। পশুকে অহেতুক কষ্ট দেওয়া গুনাহের কাজ। জবাইয়ের সময় নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন:
কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তাদের মাংস বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না; বরং তোমাদের তাকওয়া তাঁর কাছে পৌঁছায়।’ (সুরা হজ: ৩৭)
তাই সঠিক নিয়মে ও বিশুদ্ধ নিয়তে পশু জবাই করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন
৯ ঘণ্টা আগে
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল কিংবা মুস্তাহাব—এ পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারিত করে যাননি। বরং কোরআন-সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে বিজ্ঞ ফকিহ ও মুজতাহিদ ইমামগণ গবেষণা করে এই পরিভাষাগুলো নির্ধারণ করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
মহানবী (সা.) আরবের সমাজে প্রচলিত বৈষম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা আমূল বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দরিদ্রদের দূর দূর না করে পরম স্নেহে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের উপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন এবং নিজেকেও চিরকাল তাদের কাতারে শামিল রাখতে ভালোবেসেছিলেন। হজরত জুলাইবিব (রা.) নামে এক সাধারণ সাহাবির জীবনের ঘটনাই এর বড়
১১ ঘণ্টা আগে
হজরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখি (রহ.)-এর প্রকৃত নাম মীর সুলতান মোহাম্মদ। তিনি ছিলেন তৎকালীন আফগানিস্তানের বলখ (পারস্য সাম্রাজ্যের বাকট্রিয়া প্রদেশের রাজধানী) রাজ্যের প্রতাপশালী সম্রাট শাহ আলী আসগরের সন্তান। পিতার ইন্তেকালের পর উত্তরাধিকারসূত্রে শাহজাদা সুলতান মাহমুদকেই বলখের সিংহাসনে আসীন করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে