
বন্ধ কারখানা চালু, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণে গতি নেই। চার মাসে ঋণ বিতরণ হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা; আর বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা থেকে ঋণ বিতরণ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি টাকা।

মূল্যস্ফীতি ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পূর্বাভাস সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্য কোনো সংস্থার প্রক্ষেপণকে বিতর্কিত করতে চায় না। সংস্থাগুলো নিজস্ব হিসাব ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব পূর্বাভাস দিয়েছে।

ঋণ নিয়ে সংসার চালানো পরিবারের সংখ্যা গ্রামে ক্রমেই বাড়ছে। ঋণ নেওয়া গ্রামীণ পরিবারের হার গত এক বছরে ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়েছে। আবার ঋণের পরিমাণ যত বেড়েছে, কিস্তির পরিশোধের চাপ বেড়েছে তার চেয়েও বেশি হারে। এতে গ্রামীণ ঋণগ্রহীতা দরিদ্র পরিবারগুলোর বড় অংশের আয় এখন ঋণের কিস্তি মেটাতেই চলে যাচ্ছে।

ন্যাশনাল ব্যাংক আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে