লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতেই সাইবার নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হচ্ছে।’
আজ শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে জেলা জাপার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘আমি পার্লামেন্টে বলেছিলাম যে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করছে। আজকে নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ সম্পর্কে লিখেছে, নীরবে ধ্বংস করা হচ্ছে গণতন্ত্রকে। সেখানে তারা রিপোর্টের ভেতরে বলছে, বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।’
সম্প্রতি সংশোধন করা সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতেই এই আইনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের এমপিরা সংসদে এর বিরোধিতা করলেও সরকার তা শোনেনি।’
আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে মানুষ দেখেছে সুশাসন দিতে। উন্নয়নের এ শুভসূচনা এই জাতীয় পার্টিকে দিয়ে হয়েছে। আজকে যে রাস্তায় পিচঢালা হচ্ছে, তা জাতীয় পার্টি করেছে। এরশাদ সাহেবের হাত ধরেই হয়েছে।’
এ সময় জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সহযোগিতায় ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু এই আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ খাতে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে এই লুটপাটের হিসাব আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে দিতে হবে।’
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিমের সিন্ডিকেটে হাত দেওয়া যাবে না। আমি বলি, জনগণের টাকায় মন্ত্রীদের বেতন–ভাতা চলে, সেই জনগণের জন্য যদি সিন্ডিকেট ভাঙা না যায়, তাহলে মন্ত্রী থাকার দরকার কী?’
বিএনপির এক দফা সম্পর্কে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা কেমন দল, তা আমরা জানি। আপনাদের আমলে বিদ্যুতের জন্য মানুষকে গুলি করে মারা হয়েছিল। আপনাদের (বিএনপি) আমলেই দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।’
জাপা মহাসচিব আরও বলেন, ‘বিএনপির এক দফা হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট করে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসানো। আর আওয়ামী লীগের এক দফা হলো, তারা ক্ষমতায় থেকে ভোট করে আবার ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু জনগণের স্পষ্ট কথা হলো, সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জি এম কাদের তথা জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাবে।’
দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জাপার আহ্বায়ক শেরীফা কাদের। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব জাহিদ হাসান।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন জাপার কো–চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এ টি ইউ তাজ রহমান এমপি, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, রংপুর মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াছির প্রমুখ।
পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে সবার সম্মতিতে লালমনিরহাট জেলা জাপার সভাপতি হিসেবে শেরীফা কাদের এমপি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জাহিদ হাসান লিমনের নাম ঘোষণা করেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতেই সাইবার নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হচ্ছে।’
আজ শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে জেলা জাপার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘আমি পার্লামেন্টে বলেছিলাম যে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করছে। আজকে নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ সম্পর্কে লিখেছে, নীরবে ধ্বংস করা হচ্ছে গণতন্ত্রকে। সেখানে তারা রিপোর্টের ভেতরে বলছে, বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।’
সম্প্রতি সংশোধন করা সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতেই এই আইনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের এমপিরা সংসদে এর বিরোধিতা করলেও সরকার তা শোনেনি।’
আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে মানুষ দেখেছে সুশাসন দিতে। উন্নয়নের এ শুভসূচনা এই জাতীয় পার্টিকে দিয়ে হয়েছে। আজকে যে রাস্তায় পিচঢালা হচ্ছে, তা জাতীয় পার্টি করেছে। এরশাদ সাহেবের হাত ধরেই হয়েছে।’
এ সময় জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সহযোগিতায় ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু এই আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ খাতে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে এই লুটপাটের হিসাব আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে দিতে হবে।’
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিমের সিন্ডিকেটে হাত দেওয়া যাবে না। আমি বলি, জনগণের টাকায় মন্ত্রীদের বেতন–ভাতা চলে, সেই জনগণের জন্য যদি সিন্ডিকেট ভাঙা না যায়, তাহলে মন্ত্রী থাকার দরকার কী?’
বিএনপির এক দফা সম্পর্কে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা কেমন দল, তা আমরা জানি। আপনাদের আমলে বিদ্যুতের জন্য মানুষকে গুলি করে মারা হয়েছিল। আপনাদের (বিএনপি) আমলেই দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।’
জাপা মহাসচিব আরও বলেন, ‘বিএনপির এক দফা হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট করে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসানো। আর আওয়ামী লীগের এক দফা হলো, তারা ক্ষমতায় থেকে ভোট করে আবার ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু জনগণের স্পষ্ট কথা হলো, সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জি এম কাদের তথা জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাবে।’
দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জাপার আহ্বায়ক শেরীফা কাদের। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব জাহিদ হাসান।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন জাপার কো–চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এ টি ইউ তাজ রহমান এমপি, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, রংপুর মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াছির প্রমুখ।
পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে সবার সম্মতিতে লালমনিরহাট জেলা জাপার সভাপতি হিসেবে শেরীফা কাদের এমপি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জাহিদ হাসান লিমনের নাম ঘোষণা করেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
৪৪ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৮ ঘণ্টা আগে