
বিনা মূল্যে পাঠ্যবই, উপবৃত্তিসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সত্ত্বেও শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমছে না। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক—শিক্ষার সব স্তরে প্রতিবছর বিপুল শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে প্রতি তিনজনে একজন ঝরে যাচ্ছে। এ দুই স্তরে কারিগরি ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার আরও বেশি।

এই দেশের মানুষ নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চায় না। মজলুমেরা জালিম হলে তাদের পরিণতি আরও ভয়াবহ হয়। ক্ষমতার দম্ভ যে কোনো মুহূর্তে পরিবর্তন আনতে পারে তার উদাহরণ চোখের সামনে, কিন্তু শিক্ষা না নিয়ে একই পথে হাঁটা হচ্ছে...

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন। সরকারের দায়িত্ব আপনাদের পাশে থাকা। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করব। এক মাসের মধ্যে করেছি। নারীদের স্বাবলম্বী করতে এই উদ্যোগ।’

মজুরি ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরও কাঙ্ক্ষিত কর্মী পাচ্ছে না ভিয়েতনামের অন্যতম দুটি প্রধান রপ্তানি খাত—তৈরি পোশাক ও মৎস্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম উদীয়মান এই অর্থনৈতিক শক্তিতে এই বিপরীতমুখী চিত্র দেখা দিয়েছে এমন এক সময়ে, যখন দেশটির সরকার বৈদেশিক মুদ্রা ও রেমিট্যান্স