পিরোজপুর প্রতিনিধি

দেশে সারের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বৃদ্ধিতে পিরোজপুরের সাত উপজেলার সাধারণ কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। এই অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা মনে করছেন সারের দাম বাড়ার কারণে রবিশস্য, ধান ও সবজি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার সারের বাজারে দেখা গেছে, ডিলার ও কৃষক পর্যায়ে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপিসহ বিভিন্ন ধরনের সারের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। দাম বাড়ায় এখন থেকে কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া ও টিএসপির দাম ২২ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ টাকা, ডিএপি ১৬ টাকা থেকে বেড়ে ২১ টাকা, এমওপি সারের দাম ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ২০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে পাঁচ টাকা বেড়ে ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া ও টিএসপির দাম ২৫ টাকা, ডিএপির দাম ১৯ টাকা এবং প্রতি কেজি এমওপির দাম ১৮ টাকা হয়েছে; যা আগে ছিল ইউরিয়া ও টিএসপি ২০ টাকা, ডিএপি ১৪ টাকা এবং এমওপি ১৩ টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, পিরোজপুরে জেলা মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, নাজিরপুর, নেছারাবাদ, কাউখালী, ইন্দুরকানী ও পিরোজপুর সদর উপজেলায় প্রায় ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হতে পারে। হাইব্রিড, উফশী, স্থানীয় ও বোনা আমন মিলিয়ে কয়েক শতাধিক চাষি ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করবেন। এ ছড়া রবিশস্য, ফল,, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলও চাষ হবে। সারের দাম না কমলে প্রান্তিক পর্যায়ের সব কৃষকের ওপরই এর প্রভাব পড়বে।
কৃষক আনোয়ার মিয়া বলেন, ‘চলতি বছর তরমুজসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছি। সারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক ভোগান্তিতে আছি। বিশেষ করে তরমুজের খেত পানিতে ডুবে যাওয়ায় ব্যবসার মুখ দেখিনি। এর মধ্যে সারের দাম বাড়িয়ে আর কমানোর নাম নেই। কীভাবে আমরা ফসল ফলাব? সামনেই আমনের সময় বীজতলা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই সারের দরকার। তাই সারের দাম কমানো দরকার।’
কৃষক হান্নান শেখ বলেন, ‘সামনেই আমনের সিজন। প্রথমে বীজতলা, এরপর রোপণের পরের ধাপই হলো সার দেওয়া। কিন্তু এখন সারের দাম অত্যধিক, যা কৃষকদের আয়ত্তের বাইরে। ইউরিয়া, টিএসপি, টিএমপি, এমওপি সব সারেরই দাম বেড়েছে। একদিকে তেলের দাম অন্যদিকে সারের দাম বাড়ায় আমনের চাষে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।’
চাষি হামিদ মিয়া বলেন, ‘জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করা কৃষকদের অবস্থা অনেক খারাপ। তেলের দামের সঙ্গে সারের দাম বাড়ায় কৃষকদের মাথায় হাত। সারের দাম কমানো না হলে বর্গাচাষিদের চাষাবাদ করা অসম্ভব হবে।’
সারের দাম বাড়লে বিভিন্ন কীটনাশকের দামও বাড়ে জানিয়ে জমির মালিক মিল্টন মজুমদার বলেন, ‘আম ও লিচুগাছে ফল এসেছে। এ সময় পোকা নিধনের জন্য সার ও ওষুধ ছিটানো দরকার। সাররে দাম বাড়লে ওষুধের দামও বাড়ে। সার ও ওষুধের দাম না কমালে সাধারণ কৃষকেরা চাষাবাদবিমুখ হয়ে পড়বেন।’
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার সারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের সুবিধার্থে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে সার উল্লেখযোগ্য। সারের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না। সারের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে সরকারের ভর্তুকির জায়গাটা কমানো হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকদের আমনের বীজ ও সার সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।

দেশে সারের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বৃদ্ধিতে পিরোজপুরের সাত উপজেলার সাধারণ কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। এই অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা মনে করছেন সারের দাম বাড়ার কারণে রবিশস্য, ধান ও সবজি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার সারের বাজারে দেখা গেছে, ডিলার ও কৃষক পর্যায়ে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপিসহ বিভিন্ন ধরনের সারের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। দাম বাড়ায় এখন থেকে কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া ও টিএসপির দাম ২২ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ টাকা, ডিএপি ১৬ টাকা থেকে বেড়ে ২১ টাকা, এমওপি সারের দাম ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ২০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে পাঁচ টাকা বেড়ে ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া ও টিএসপির দাম ২৫ টাকা, ডিএপির দাম ১৯ টাকা এবং প্রতি কেজি এমওপির দাম ১৮ টাকা হয়েছে; যা আগে ছিল ইউরিয়া ও টিএসপি ২০ টাকা, ডিএপি ১৪ টাকা এবং এমওপি ১৩ টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, পিরোজপুরে জেলা মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, নাজিরপুর, নেছারাবাদ, কাউখালী, ইন্দুরকানী ও পিরোজপুর সদর উপজেলায় প্রায় ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হতে পারে। হাইব্রিড, উফশী, স্থানীয় ও বোনা আমন মিলিয়ে কয়েক শতাধিক চাষি ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করবেন। এ ছড়া রবিশস্য, ফল,, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলও চাষ হবে। সারের দাম না কমলে প্রান্তিক পর্যায়ের সব কৃষকের ওপরই এর প্রভাব পড়বে।
কৃষক আনোয়ার মিয়া বলেন, ‘চলতি বছর তরমুজসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছি। সারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক ভোগান্তিতে আছি। বিশেষ করে তরমুজের খেত পানিতে ডুবে যাওয়ায় ব্যবসার মুখ দেখিনি। এর মধ্যে সারের দাম বাড়িয়ে আর কমানোর নাম নেই। কীভাবে আমরা ফসল ফলাব? সামনেই আমনের সময় বীজতলা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই সারের দরকার। তাই সারের দাম কমানো দরকার।’
কৃষক হান্নান শেখ বলেন, ‘সামনেই আমনের সিজন। প্রথমে বীজতলা, এরপর রোপণের পরের ধাপই হলো সার দেওয়া। কিন্তু এখন সারের দাম অত্যধিক, যা কৃষকদের আয়ত্তের বাইরে। ইউরিয়া, টিএসপি, টিএমপি, এমওপি সব সারেরই দাম বেড়েছে। একদিকে তেলের দাম অন্যদিকে সারের দাম বাড়ায় আমনের চাষে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।’
চাষি হামিদ মিয়া বলেন, ‘জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করা কৃষকদের অবস্থা অনেক খারাপ। তেলের দামের সঙ্গে সারের দাম বাড়ায় কৃষকদের মাথায় হাত। সারের দাম কমানো না হলে বর্গাচাষিদের চাষাবাদ করা অসম্ভব হবে।’
সারের দাম বাড়লে বিভিন্ন কীটনাশকের দামও বাড়ে জানিয়ে জমির মালিক মিল্টন মজুমদার বলেন, ‘আম ও লিচুগাছে ফল এসেছে। এ সময় পোকা নিধনের জন্য সার ও ওষুধ ছিটানো দরকার। সাররে দাম বাড়লে ওষুধের দামও বাড়ে। সার ও ওষুধের দাম না কমালে সাধারণ কৃষকেরা চাষাবাদবিমুখ হয়ে পড়বেন।’
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার সারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের সুবিধার্থে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে সার উল্লেখযোগ্য। সারের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না। সারের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে সরকারের ভর্তুকির জায়গাটা কমানো হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকদের আমনের বীজ ও সার সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে