লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে চরশাহী ইউনিয়নের জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৬০ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপী চরশাহীর বটতলা এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান। বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সমর্থকেরা এতে হস্তক্ষেপ করেন। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। পরে একে কেন্দ্র করে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতের আবদুর রহমান, হেজবুল্লাহ সোহেল, সাকিব হোসেন, এমরান হোসেন, শাহাদাত হোসেন খোকন, যুবদল নেতা বোরহান মিয়াজি, দুলাল হোসেনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। তার মীমাংসা হয়েছিল। এরপরও তাঁরা ফের আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘জামায়াতের লোকজন ভোটারদের কাছ থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করে। ঘটনার সূত্রপাত সেখান থেকে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আমি শুধু বিএনপির নয়, জামায়াতের নেতা-কর্মীদেরও দেখতে গেছি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে চরশাহী ইউনিয়নের জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৬০ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপী চরশাহীর বটতলা এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান। বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সমর্থকেরা এতে হস্তক্ষেপ করেন। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। পরে একে কেন্দ্র করে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতের আবদুর রহমান, হেজবুল্লাহ সোহেল, সাকিব হোসেন, এমরান হোসেন, শাহাদাত হোসেন খোকন, যুবদল নেতা বোরহান মিয়াজি, দুলাল হোসেনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। তার মীমাংসা হয়েছিল। এরপরও তাঁরা ফের আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘জামায়াতের লোকজন ভোটারদের কাছ থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করে। ঘটনার সূত্রপাত সেখান থেকে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আমি শুধু বিএনপির নয়, জামায়াতের নেতা-কর্মীদেরও দেখতে গেছি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২ ঘণ্টা আগে