
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. সাইফুল আলমের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিপরীতে জামায়াতের শৃঙ্খলিত ভোটব্যাংক এবং কৌশলী প্রচার—এই দুই শক্তি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত তাঁদের।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আখতার এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে জিতবে, কে হারবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এগুলো নিয়েই মূলত আলাপ জমে ওঠে। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদনান রহমান বলেন, এ এলাকার অন্যতম সমস্যা চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—এই সমস্যা যেন নিরসন হয়। একই সুরে কথা বলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ সমস্যাও দেখা দেয়। এসব সমস্যা যিনি সমাধান করতে পারবেন, তাঁকেই ভোট দেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব জানান, তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন, এ এলাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বলেন, এই আসনের অন্যতম সমস্যা মাদক ও চাঁদাবাজির বিস্তার। পরিকল্পিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

যশোর শহরের শংকরপুরস্থ ভেটেরিনারি হাসপাতালের সামনে আরআর মেডিকেল নামে ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (৪৮)। গত সোমবার রাতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শহরতলি সুজলপুর এলাকার বাড়িতে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে। এরপর জাহাঙ্গীরের মোবাইল ফোন দিয়ে পরিবারের কাছে চাওয়া হয় ১ কোটি টাকার মুক্তিপণ।
৩ ঘণ্টা আগে
একসময় ভাড়ায় গাড়ি চালাতেন রিয়াজুল ইসলাম। মাস শেষে যা আয় হতো, তা দিয়েই চলত সংসার। কিন্তু মাত্র আট মাসে বদলে গেছে তাঁর জীবনের হিসাব-নিকাশ। এখন তিনি দুটি গাড়ির মালিক, ব্যাংকে রয়েছে মোটা অঙ্কের আমানত, কোটি টাকার ব্যবসায়িক মূলধন। সব মিলিয়ে প্রায় দুই কোটির সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন আয়কর নথিতে।
৪ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার কাশাদহ সেচ প্রকল্প চালুর সময় ২০টি পাম্প ছিল। ধীরে ধীরে কমে তিনটিতে নেমেছে। বর্তমানে সেই সংকটের সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রকল্প এলাকায় যমুনা নদীতে বিশাল চর জেগে ওঠা। এতে পানি না পাওয়ায় সেচ প্রকল্প বন্ধের উপক্রম হয়েছে। বোরো আবাদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সেচ প্রকল্পের...
৪ ঘণ্টা আগে
আসছে ঈদ। কিন্তু হাতে নেই টাকাপয়সা। অনেকে আবার ঋণের ভারে জর্জরিত। এই অবস্থায় জীবিকার তাগিদে এখন নিজ জেলা ছেড়ে আশপাশের এলাকায় ছুটছেন গাইবান্ধার শ্রমিকেরা। স্থানীয়রা বলছেন, কৃষিনির্ভর এই জেলায় নেই তেমন কলকারখানা। তাই এ জেলার মানুষের কর্মসংস্থানের অভাব।
৪ ঘণ্টা আগে