রাহুল শর্মা, ঢাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. সাইফুল আলমের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিপরীতে জামায়াতের শৃঙ্খলিত ভোটব্যাংক এবং কৌশলী প্রচার—এই দুই শক্তি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত তাঁদের।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আখতার এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে জিতবে, কে হারবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এগুলো নিয়েই মূলত আলাপ জমে ওঠে। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদনান রহমান বলেন, এ এলাকার অন্যতম সমস্যা চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—এই সমস্যা যেন নিরসন হয়। একই সুরে কথা বলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ সমস্যাও দেখা দেয়। এসব সমস্যা যিনি সমাধান করতে পারবেন, তাঁকেই ভোট দেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব জানান, তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন, এ এলাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বলেন, এই আসনের অন্যতম সমস্যা মাদক ও চাঁদাবাজির বিস্তার। পরিকল্পিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. সাইফুল আলমের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিপরীতে জামায়াতের শৃঙ্খলিত ভোটব্যাংক এবং কৌশলী প্রচার—এই দুই শক্তি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত তাঁদের।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আখতার এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে জিতবে, কে হারবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এগুলো নিয়েই মূলত আলাপ জমে ওঠে। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদনান রহমান বলেন, এ এলাকার অন্যতম সমস্যা চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—এই সমস্যা যেন নিরসন হয়। একই সুরে কথা বলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ সমস্যাও দেখা দেয়। এসব সমস্যা যিনি সমাধান করতে পারবেন, তাঁকেই ভোট দেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব জানান, তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন, এ এলাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বলেন, এই আসনের অন্যতম সমস্যা মাদক ও চাঁদাবাজির বিস্তার। পরিকল্পিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৩ ঘণ্টা আগে