
দুই দিনের রোদে হাওরাঞ্চলের কৃষকেরা যে স্বস্তির নিশ্বাস ছেড়েছিলেন, তা তৃতীয় দিনে এসে আবার মিইয়ে যেতে শুরু করেছে। গতকাল শনিবার ভোর থেকে আবার শুরু হয় বৃষ্টি। দুপুরের দিকে কিছুটা থেমে গেলে কৃষক ধান কাটতেও গিয়েছিলেন।

সকালে আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকলেও গতকাল বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওরে রোদের দেখা পেয়েছে কৃষক। স্বস্তির এই রোদে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত দিন কেটেছে তাঁদের। যদিও এই রোদের স্থায়িত্ব কম, তারপরও শেষ সম্বল ঘরে তুলতে বসে নেই চাষিরা।

কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার কেওলার হাওরে গিয়ে দেখা যায়, গত দুই দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত পানি বেড়ে প্রায় এক হাজার হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একইভাবে রাজনগর, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার হাওর ও নিম্নাঞ্চলের ধানখেতও প্লাবিত হয়েছে।

অভাবের কারণে প্রথম শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করা হয়নি সোলেমান আলীর। কিন্তু দীর্ঘদিনের কারিগরি অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি তৈরি করেছেন ২ হাজার ৫০০ ওয়াট ক্ষমতার একটি ভ্রাম্যমাণ সেচযন্ত্র। সূর্যের আলো পেলেই এটি তিন হর্সপাওয়ারের পানির পাম্প চালু করে, যা প্রতি মিনিটে প্রায় ৭০০ লিটার পানি তুলতে সক্ষম।