
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সরকারি মোবাইল নম্বর হ্যাক করার মাধ্যমে প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ দাবি করছে। রোববার(১৬ নভেম্বর) রাতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে এই মেসেজ পাঠানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের সরকারি নম্বর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে “২৫ হাজার টাকা পাঠাবেন” বা অনুরূপ অর্থের দাবি জানানো হচ্ছে। প্রতারক চক্রটি হ্যাক হওয়া নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে বা এসএমএসে যোগাযোগ করে তাদের বিকাশ বা অন্য মোবাইলে মানি-পেমেন্ট সিস্টেমে অর্থ পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন।
দৈনিক কুষ্টিয়ার সম্পাদক ড. আমানুর আমান জানান, তার কাছে মেসেজ পাঠানো হয়েছে। সেখানে ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিনি ফেসবুক একটি পোষ্ট দেন রাতে। একই মেসেজ পাঠানো হয়েছে আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্তের কাছেও। আরো অনেকের কাছেও একই মেসেজ পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনকে হবিগঞ্জ জেলায় বদলি করা হয়েছে। রোববার তিনি কুষ্টিয়া ছেড়েছেন। তাঁর জায়গায় নবাগত জেলা প্রশাসক হিসেবে কুষ্টিয়ায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক ইকবাল হোসেন। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১৯ মিনিট আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
২৩ মিনিট আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
১ ঘণ্টা আগে