
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা দেড়টায় দিকে উপজেলার ১ নম্বর সিঅ্যান্ডবি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রবিউল ইসলাম সওজ গাজীপুরের সার্ভেয়ার। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজ বেলা ১১টা থেকে মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা ভাঙা শুরু করে সওজ বিভাগ। ওই এলাকার পলক সিএনজি পাম্পের পাশ থেকে শুরু করে উত্তর দিকে মসজিদের পাশে পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙা হয়েছে কিছু বহুতল ভবনের অবৈধ অংশবিশেষ।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানায়, অভিযান চলার একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্থাপনার মালিকেরা বাধা দেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। বেলা দেড়টার দিকে আভিযানিক দলের সঙ্গে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উত্তর দিকে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দক্ষিণ দিকে অবস্থান করছিলেন সার্ভেয়ার রবিউল ইসলাম। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্থাপনার মালিকেরা রবিউল শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। রবিউলকে ধরে পলক সিএনজি পাম্পের পাশের একটি ভবনে নিয়ে যায় তারা। প্রচণ্ড মারধরে কপালে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পান রবিউল। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চলে এলে হামলাকারীরা তাঁকে রেখে চলে যায়। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, সওজের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা অবৈধ কয়েকটি স্থাপনা না ভাঙার শর্তে সেগুলোর মালিকদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। ফলে ওই স্থাপনাগুলো বাদ দিয়ে অন্যগুলো ভাঙা হচ্ছিল। এতে একটি পক্ষ খেপে যায়। একপর্যায়ে তারা সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ও হামলা চালায়।
আহত সওজ কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সওজের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশফাকুল হক চৌধুরী ঘটনাস্থলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তাঁর চোখে সবাই সমান। অবৈধ সব স্থাপনা ভাঙা হচ্ছিল। এখানে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি। এ ছাড়া হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হামলা করবে কেন? তারা আমার সঙ্গে কথা বলতে পারত। আমি এই বিষয়টি দেখছি।’

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে