কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক কিশোরের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আজ রোববার উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী সীমান্তে নাফ নদীর শূন্যরেখায় ঘটনাটি ঘটে।আহত কিশোরের নাম আব্দুল হাকিম (১৫), সে উখিয়ার ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে।
উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে তিনি জানান, আহত কিশোর আব্দুল হাকিম নাফ নদীতে মাছ ধরে ফেরার পথে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তার ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার একই এলাকার আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তে নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরেকটি স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম (২৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, মিয়ানমারের রাখাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে। এতে বিভিন্ন সময়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে।

হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ বাইপাস সড়কের পোদ্দারবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ মিনিট আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৫০ শতকের একটি জলাশয় ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে মাটি ফেলে জলাশয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ ভরাট করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাহমুদ আলী নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ইজারা নিয়ে ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ওমানে গাড়ির ভেতরে মারা যাওয়া চার সন্তানের করুণ পরিণতি সম্পর্কে এখনো জানেন না তাঁদের মা খাদিজা বেগম। বয়সের ভার ও রোগে এমনিতেই বেশ কাবু তিনি। স্বামীহীন সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্তও। মারা যাওয়া চার ছেলেসহ পাঁচ ছেলেকে ছোট রেখেই মারা যান তাঁদের বাবা জামাল উদ্দিন।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে।
৫ ঘণ্টা আগে