
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে। অভিযোগ রয়েছে, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে পাকা এসব বাড়ি নির্মিত হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শত বছর ধরে স্থানীয়রা বনে কাঁচা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে। তবে কয়েক বছর ধরে পাকা ঘর নির্মাণের প্রবণতা বেড়েছে। অনেকে বনের টিলা কেটে ঘর নির্মাণ করেছে। এতে করে কমেছে বন্য প্রাণীর অবাধ বিচরণ। একই সঙ্গে ঝুঁকি রয়েছে বনভূমি ধসের।
রেঞ্জ কর্মকর্তারা বলেন, আগে বনের ভেতর কিছু পাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এখন পাকা ঘর নির্মাণ করতে দেওয়া হয় না। যারা আইনের তোয়াক্কা না করে পাকা ঘর নির্মাণ করেছেন, এমন অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। বনে পাকা ঘর, পাকা রাস্তা নির্মাণ করায় নিষেধ রয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, জেলার রাজকান্দি, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা রেঞ্জসহ জেলায় প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। এসব বনে হাজার হাজার পরিবার রয়েছে। বনের ভেতর পাকা ঘর বা স্থাপনা তৈরি করা নিষেধ রয়েছে। তবে কিছু পাকা ঘর আগে তৈরি করা হয়েছে। নতুন করে কেউ পাকা ঘর নির্মাণ করলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে আপত্তি ও মামলা করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন বিভাগের সঙ্গে যোগসাজশে কয়েক বছরে শতাধিক পাকা বাড়ি নির্মিত হয়েছে। বন বিভাগের লোকজনের সামনেই এসব ঘর তৈরি হয়েছে।
রাজকান্দি রেঞ্জের ভেতরে বসবাসরত সালাম আহমেদ, শাহিদ মিয়া বলেন, ‘বনের ভেতর শুধু পাকা ঘর নির্মাণের সংখ্যা বাড়ছে না; একই সঙ্গে পাকা রাস্তা তৈরি হচ্ছে। এসব কাজে কখনো বন বিভাগের অনুমতি থাকে, আবার কোথাও থাকে না। তবে বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া পাকা ঘর বানানোর কেউ সাহস করবেন না।’
সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, ‘সংরক্ষিত বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। স্থানীয় যাঁরা বসবাস করছেন, তাঁদের জানা রয়েছে, বনের ভেতর কী করা যাবে, আর কী করা যাবে না। কেউ আইন অমান্য করে সংরক্ষিত বনে কোনো পাকা ঘর নির্মাণ করলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, সংরক্ষিত বনে হরিণ, উল্লুক, হনুমান, শূকরসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও পাখির আবাসস্থল। বনের মধ্যে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা তৈরি বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনে জাতীয় পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য আ স ম সালেহ সোহেল বলেন, ‘যাঁরা বনের সংরক্ষিত এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই পাকা ঘর নির্মাণ করছেন। বনের ভেতর পাকা স্থাপনার ফলে বনের পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বন বিভাগ এসব বিষয় নিয়ে শক্ত পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এ ছাড়া বন থেকে গাছ-বাঁশ উজাড় হচ্ছে। এতে করে বনের পরিবেশ ও প্রাণীদের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।’

আইন অনুযায়ী, ওয়াসা বোর্ডের সদস্যের বাইরে কেউ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। তবে এই আইনের তোয়াক্কা না করেই চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস মিয়া। ওয়াসার জমি বন্ধ রেখে ২২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটায় সকাল ৯টা। বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে বাঁশি বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের সারবদ্ধভাবে ভেতরে প্রবেশ করান প্রধান শিক্ষক। পরে শুরু হলো প্রাত্যহিক সমাবেশ। শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শারীরিক কসরতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই পর্ব। এরপর শিক্ষার্থীরা আবার সারবদ্ধভাবে যার যার শ্রেণিকক্ষে চলে যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
যশোর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত গ্রাম মদনপুর। ঝিকরগাছা উপজেলার গ্রামটির বটতলা মোড় থেকে দক্ষিণ দিকের পিচঢালা পথ ধরে এগিয়ে গেলে দেখা মিলবে মাঠের পর মাঠ। এই মাঠের বুক চিরে যে পিচঢালা পথ, সেটি গিয়ে মিশেছে রাজগঞ্জ বাজারে। যে সড়কের দুই পাশে যত দূর চোখ যাবে, দেখা মিলবে সারি সারি ছোট-বড় তালগাছের।
৬ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগবাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের বাধার মুখে নিয়োগ কমিটি একটি ইটভাটায় গিয়ে নিয়োগের কাজ শেষ করেন বলে জানা গেছে। গত শনিবার উপজেলার বালারচর নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে