
চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টা থেকে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সৈকতে ভিড় করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। যদিও বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রতিমা বিসর্জনে কিছুটা বেগ পেতে হয় ভক্তদের।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান মিলনমেলায় পরিণত হয়। সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গা মর্ত্যে এসেছেন গজে (হাতি) চড়ে। কৈলাসে ফিরে যাচ্ছেন দোলায় চেপে। গজে চড়ে দেবীর আগমনের অর্থ হলো শুভ।
এদিকে সকাল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ট্রাকবাহী প্রতিমা নিয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে ভক্তরা জড়ো হতে শুরু করেন পতেঙ্গা সৈকতে। এরপর শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জনের পালা।
জানা গেছে, এ বছর চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রধান পূজামণ্ডপ জে এম সেন হলসহ ১৬টি থানা এলাকায় ব্যক্তিগত, ঘটপূজাসহ ২৯২টি মণ্ডপে পূজা দুর্গোৎসব হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় মোট মোট পূজামণ্ডপের সংখ্যা ২ হাজার ২০২টি।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. সুলতান আহসান উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে সাগরে প্রতিমা বিসর্জন করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। নির্বিঘ্নে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সৈকত ও আশপাশ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রান্না করার সময় গরুর মাংসের রং উজ্জ্বল সবুজ হয়ে যাওয়ার সেই নজিরবিহীন ও রহস্যময় ঘটনার জট অবশেষে খুলেছে। গত ২২ জুলাই খুলনার পাইকগাছায় ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ল্যাবরেটরিতে সংগৃহীত মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
২০ মিনিট আগে
একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৭ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৭ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে