নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম ইপিজেডে ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান (২৪) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নিশাদুজ্জামানের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে এই সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বন্দর এলাকার তানভীর মোহাম্মদ সজীব (৩১) ও ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা মো. হৃদয় (৩৭। আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা মো. আহসান ওরফে ইয়াছিন (৩৮)।
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পিপি এম এ এম আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইপিজেডে টাকার লোভে ওই ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল।
এ ঘটনার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত সন্তুষ্ট হয়ে আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করত এই রায় দেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানামূলে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে আদালতে আসামিদের ১৬৪ ধরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
তথ্যমতে, ২০২০ সালে ২ মে সকালে ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিং এলাকায় একটি মার্কেটের সিঁড়ির লোহার রেলিংয়ের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাহফুজুর রহমান নামে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে হাত-পা বাঁধা এবং মুখের ভেতর কাপড় গুঁজিয়ে বাইরে প্লাস্টিকের টেপ মোড়ানো অবস্থায় মরদেহটি সেখানে ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা। যে জায়গায় ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ পাওয়া যায় তাঁর পাশেই একটি দোকান নিয়ে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসা করতে মাহফুজুর রহমান।
নিহত মাহফুজুর নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার কমলনগর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। চট্টগ্রামে তাঁদের পরিবার ইপিজেড থানাধীন ব্যাংক কলোনিতে ভাড়া বাসায় থাকেন। ঘটনার পর ইপিজেড থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা আব্দুর রহমান।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, মাহফুজুর যে দোকান নিয়ে ব্যবসা করতেন, সেটার শাটার না থাকায় তিনি রাতে দোকানেই ঘুমাতেন। পরিবারের সদস্যরা দোকানে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে দিনে ও রাতে গিয়ে খাবার দিয়ে আসতেন।

চট্টগ্রাম ইপিজেডে ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান (২৪) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নিশাদুজ্জামানের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে এই সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বন্দর এলাকার তানভীর মোহাম্মদ সজীব (৩১) ও ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা মো. হৃদয় (৩৭। আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা মো. আহসান ওরফে ইয়াছিন (৩৮)।
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পিপি এম এ এম আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইপিজেডে টাকার লোভে ওই ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল।
এ ঘটনার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত সন্তুষ্ট হয়ে আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করত এই রায় দেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানামূলে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে আদালতে আসামিদের ১৬৪ ধরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
তথ্যমতে, ২০২০ সালে ২ মে সকালে ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিং এলাকায় একটি মার্কেটের সিঁড়ির লোহার রেলিংয়ের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাহফুজুর রহমান নামে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে হাত-পা বাঁধা এবং মুখের ভেতর কাপড় গুঁজিয়ে বাইরে প্লাস্টিকের টেপ মোড়ানো অবস্থায় মরদেহটি সেখানে ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা। যে জায়গায় ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ পাওয়া যায় তাঁর পাশেই একটি দোকান নিয়ে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসা করতে মাহফুজুর রহমান।
নিহত মাহফুজুর নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার কমলনগর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। চট্টগ্রামে তাঁদের পরিবার ইপিজেড থানাধীন ব্যাংক কলোনিতে ভাড়া বাসায় থাকেন। ঘটনার পর ইপিজেড থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা আব্দুর রহমান।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, মাহফুজুর যে দোকান নিয়ে ব্যবসা করতেন, সেটার শাটার না থাকায় তিনি রাতে দোকানেই ঘুমাতেন। পরিবারের সদস্যরা দোকানে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে দিনে ও রাতে গিয়ে খাবার দিয়ে আসতেন।

নির্বাচনে অংশ নিতে অন্য দলে যোগ দেওয়া কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। তাঁরা হলেন মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির ও মাওলানা নুরে আলম হামিদী। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৭ মিনিট আগে
দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা। বাসভবন থেকে শুরু করে কার্যালয়, রাজপথ, হাসপাতাল, বিদেশ, এমনকি কারাগার—সবখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থেকেছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত হওয়ার পর এবার সেই ফাতেমাকে দেখা গেল জাইমা রহমানের সঙ্গে।
১৫ মিনিট আগে
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের জন্য সরকারকে ৩০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চ। এর মধ্য আটদিন পেরিয়ে গেছে, বাকি আছে আর মাত্র ২২ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
১ ঘণ্টা আগে
‘আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, গত ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি’ বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১০-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
১ ঘণ্টা আগে