নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের জন্য সরকারকে ৩০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চ। এর মধ্য আটদিন পেরিয়ে গেছে, বাকি আছে আর মাত্র ২২ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি থেকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই ঘোষণা দেন।
সরকার পতনের ঘোষণা দিয়ে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আমাদের কথা খুব সুস্পষ্ট। সরকার ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছে, আমরা ৩০ কার্যদিবস সময় দিয়েছিলাম। আর বাকি আছে ২২ দিন। আমরা ওই কার্যদিবস ধরেই আগাইতেছি। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যদি সরকার এই খুনের বিচারকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা ৩০ কার্যদিবসের পর সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করব।’
৭ জানুয়ারির মধ্যে যাঁরা খুন করেছেন, কেবল তাঁরা নন; এই খুনের পেছনে যাঁরা রয়েছেন, প্রত্যেককে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার দাবি জানান আবদুল্লাহ আল জাবের।
এর আগে জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীরা। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার হয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে দিয়ে শাহবাগে এসে শেষ হয়। সেখানে বক্তব্য দেন আবদুল্লাহ আল জাবের। তাঁর বক্তব্য শেষে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীরা। এতে শাহবাগ মোড়ের এক পাশের সড়কে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকে। পরে ৭টার দিকে তাঁরা বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করেন। পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশ ইনকিলাব মঞ্চ পেজে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানায় মঞ্চটি।

ওসমান হাদিকে খুনের কারণ উল্লেখ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও ইনসাফের আন্দোলন শুরু করেছিলেন। ফলে অনেকেই মনে করেছে, হাদিকে যদি এখনই হত্যা করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময় তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সীমান্তে লাশ ফেলা যাবে না। দিল্লির তাঁবেদারি করা যাবে না। সবকিছু একই সূত্রে গেঁথে তারপর হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
খুনিদের গ্রেপ্তারে সরকারের সদিচ্ছা নেই উল্লেখ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘হাদিকে গুলি করার আজ ২১ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২১ জনকেও সরকার গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। খুনিদের বাপ, মা, বোন, ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে। খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এমন একজনকেও তারা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো সদিচ্ছা আছে বলেও আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না।’
আবদুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, ‘হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য আগামীকাল আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে যাব। যারা বাংলাদেশপন্থী, তাদের কাছে যাব। যারা ভারতের তাঁবেদারি করে, তাদের কাছে যাব না। যত বাংলাদেশপন্থী সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে, প্রতিটির কাছে যাব। তাদের কাছে সহযোগিতা চাইব। তারা সহযোগিতা করলে আলহামদুলিল্লাহ, না করলে আমরা রাজপথে থাকব।’
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হাদি হত্যার বিচারের জন্য ৩০ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের জন্য সরকারকে ৩০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চ। এর মধ্য আটদিন পেরিয়ে গেছে, বাকি আছে আর মাত্র ২২ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি থেকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই ঘোষণা দেন।
সরকার পতনের ঘোষণা দিয়ে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আমাদের কথা খুব সুস্পষ্ট। সরকার ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছে, আমরা ৩০ কার্যদিবস সময় দিয়েছিলাম। আর বাকি আছে ২২ দিন। আমরা ওই কার্যদিবস ধরেই আগাইতেছি। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যদি সরকার এই খুনের বিচারকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা ৩০ কার্যদিবসের পর সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করব।’
৭ জানুয়ারির মধ্যে যাঁরা খুন করেছেন, কেবল তাঁরা নন; এই খুনের পেছনে যাঁরা রয়েছেন, প্রত্যেককে চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার দাবি জানান আবদুল্লাহ আল জাবের।
এর আগে জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীরা। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার হয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে দিয়ে শাহবাগে এসে শেষ হয়। সেখানে বক্তব্য দেন আবদুল্লাহ আল জাবের। তাঁর বক্তব্য শেষে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীরা। এতে শাহবাগ মোড়ের এক পাশের সড়কে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকে। পরে ৭টার দিকে তাঁরা বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করেন। পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশ ইনকিলাব মঞ্চ পেজে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানায় মঞ্চটি।

ওসমান হাদিকে খুনের কারণ উল্লেখ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও ইনসাফের আন্দোলন শুরু করেছিলেন। ফলে অনেকেই মনে করেছে, হাদিকে যদি এখনই হত্যা করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময় তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সীমান্তে লাশ ফেলা যাবে না। দিল্লির তাঁবেদারি করা যাবে না। সবকিছু একই সূত্রে গেঁথে তারপর হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
খুনিদের গ্রেপ্তারে সরকারের সদিচ্ছা নেই উল্লেখ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘হাদিকে গুলি করার আজ ২১ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২১ জনকেও সরকার গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। খুনিদের বাপ, মা, বোন, ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে। খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এমন একজনকেও তারা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো সদিচ্ছা আছে বলেও আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না।’
আবদুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, ‘হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য আগামীকাল আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে যাব। যারা বাংলাদেশপন্থী, তাদের কাছে যাব। যারা ভারতের তাঁবেদারি করে, তাদের কাছে যাব না। যত বাংলাদেশপন্থী সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে, প্রতিটির কাছে যাব। তাদের কাছে সহযোগিতা চাইব। তারা সহযোগিতা করলে আলহামদুলিল্লাহ, না করলে আমরা রাজপথে থাকব।’
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হাদি হত্যার বিচারের জন্য ৩০ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলে ফিরিয়ে নেয় বিএনপি। তবে ২৪ ঘণ্টা পর ফের বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকার কথা জানায় দলটি।
১ সেকেন্ড আগে
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একটা কথা বলে গেছেন—বাংলাদেশ হবে রেইনবো নেশন। এই রেইনবো নেশনে সকলের ধর্ম থাকবে যার যার নিজের, দেশ হবে সকলের। সব রং মিলে রংধনু হয়েছে, সেই দেশকে দেখতে চেয়েছিলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে অংশ নিতে অন্য দলে যোগ দেওয়া কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। তাঁরা হলেন মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির ও মাওলানা নুরে আলম হামিদী। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা। বাসভবন থেকে শুরু করে কার্যালয়, রাজপথ, হাসপাতাল, বিদেশ, এমনকি কারাগার—সবখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থেকেছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত হওয়ার পর এবার সেই ফাতেমাকে দেখা গেল জাইমা রহমানের সঙ্গে।
১ ঘণ্টা আগে