আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পুনরায় সচল হওয়া নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক দূর করতে বার্তা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
আজ শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, এনইআইআর চালু হলেও আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কারও অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হবে না। ফলে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তন নিয়ে প্যানিকড বা আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বর্তমানে অনেক গ্রাহক তাঁদের এনআইডির বিপরীতে সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি দেখতে পাচ্ছেন। বিটিআরসি জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় ৩ বিলিয়নের বেশি ‘ডেটা সেট’ পাওয়া গেছে। অপারেটররা তাদের সিস্টেমে থাকা সব হিস্টোরিক ডেটা জমা দেওয়ায় এবং মাইগ্রেশনের তারিখ বর্তমানের হওয়ায় এই সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে। বিটিআরসি এবং মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই ডেটাগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। শিগগির শুধু বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের সঠিক সংখ্যা দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, সিস্টেমটি নতুন নয়, ২০২১ সালে প্রথম এটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করে এটি পুনরায় সচল করা হয়েছে। শুরুর দিকে কিছু কারিগরি জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তার স্বার্থে সিস্টেমটির ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং (ভিএপিটি) করার নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডেটাবেজ নিরাপদ রাখতে জেডব্লিউটি ডিজিটাল টোকেন এবং রেট লিমিটের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার আরও একটি স্তর যুক্ত করার কাজ চলছে।
একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে আগে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার এখন এই সংখ্যা কমিয়ে ১০-এ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পরিবর্তনের কারণেও ডেটা ম্যাপিংয়ে হ্যান্ডসেটের সংখ্যায় কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই সিস্টেমের মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা তৈরি হবে। একজন নাগরিক তাঁর এনআইডির বিপরীতে কতটি সিম বা ডিভাইস ব্যবহার হয়েছে, তা জানতে পারবেন। এটি তাঁর নাগরিক অধিকার। এর ফলে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি বা অনলাইন জুয়ার মতো আর্থিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং অপরাধী শনাক্ত করা সহজ হবে।
কারিগরি এই সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধানে সাধারণ মানুষের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। আইএমইআই-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে চাইলে এখন থেকে এনআইডি নম্বর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে, যাতে তথ্যের অপব্যবহার না হয়।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পুনরায় সচল হওয়া নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক দূর করতে বার্তা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
আজ শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, এনইআইআর চালু হলেও আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কারও অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হবে না। ফলে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তন নিয়ে প্যানিকড বা আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বর্তমানে অনেক গ্রাহক তাঁদের এনআইডির বিপরীতে সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি দেখতে পাচ্ছেন। বিটিআরসি জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় ৩ বিলিয়নের বেশি ‘ডেটা সেট’ পাওয়া গেছে। অপারেটররা তাদের সিস্টেমে থাকা সব হিস্টোরিক ডেটা জমা দেওয়ায় এবং মাইগ্রেশনের তারিখ বর্তমানের হওয়ায় এই সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে। বিটিআরসি এবং মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই ডেটাগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। শিগগির শুধু বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের সঠিক সংখ্যা দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, সিস্টেমটি নতুন নয়, ২০২১ সালে প্রথম এটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করে এটি পুনরায় সচল করা হয়েছে। শুরুর দিকে কিছু কারিগরি জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তার স্বার্থে সিস্টেমটির ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং (ভিএপিটি) করার নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডেটাবেজ নিরাপদ রাখতে জেডব্লিউটি ডিজিটাল টোকেন এবং রেট লিমিটের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার আরও একটি স্তর যুক্ত করার কাজ চলছে।
একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে আগে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার এখন এই সংখ্যা কমিয়ে ১০-এ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পরিবর্তনের কারণেও ডেটা ম্যাপিংয়ে হ্যান্ডসেটের সংখ্যায় কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই সিস্টেমের মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা তৈরি হবে। একজন নাগরিক তাঁর এনআইডির বিপরীতে কতটি সিম বা ডিভাইস ব্যবহার হয়েছে, তা জানতে পারবেন। এটি তাঁর নাগরিক অধিকার। এর ফলে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি বা অনলাইন জুয়ার মতো আর্থিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং অপরাধী শনাক্ত করা সহজ হবে।
কারিগরি এই সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধানে সাধারণ মানুষের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। আইএমইআই-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে চাইলে এখন থেকে এনআইডি নম্বর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে, যাতে তথ্যের অপব্যবহার না হয়।

চলতি বছরকে এআইয়ের জন্য ‘স্কেল-আপ ইয়ার’ বললে ভুল হবে না। স্টার্টআপ ফান্ডিং থেকে শুরু করে ডেটা সেন্টার, বিদ্যুৎ এনার্জি অবকাঠামো, জাতীয় নীতি—সবখানে এআই এখন ভূরাজনীতির খেলা।
৩ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার জায়গা নয়; ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ, তথ্য আদান-প্রদান, এমনকি সংবেদনশীল আলোচনা পর্যন্ত এসব প্ল্যাটফর্মে হয়। ফলে কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কী হবে, এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৩ দিন আগে
নতুন বছর মানেই প্রযুক্তির নতুন দিক। ২০২৬ সালেও প্রযুক্তির জগতে কিছু নতুন, আবার কিছু পরিচিত প্রযুক্তি বড় আলোচনায় থাকবে। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদ ও বিখ্যাত ম্যাগাজিনগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছরে যেসব প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে, সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনের অংশ হয়ে উঠছে।
৩ দিন আগেগুগল ক্রোম ব্রাউজার আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করলেও এর অ্যাড্রেসবার কিংবা ওমনিবক্সে থাকা অনেক দরকারি ফিচার জানার বাইরে থাকে। শুধু সার্চিং নয়, এই অ্যাড্রেসবার থেকে অনেক কাজ দ্রুততম সময়ে করা সম্ভব। এটি অফিস কিংবা অনলাইন মিটিংয়ে সময় বাঁচাতে সাহায্য করে।
৩ দিন আগে