নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ।
বুধবার বিকেলে কাজী মো. তারেক আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তারা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে খুনের ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।’
কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, এই খুনের নেপথ্যে এখনো কোনো কারণ জানা যায়নি। রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও পারিবারিক ঘটনা; সবদিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে এই বিষয়ে জানা যাবে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মদুনাঘাট ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় প্রাইভেট কারের ভেতরে থাকা মোহাম্মদ আবদুল হাকিমকে (৫২) গুলি করে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা। এ সময় প্রাইভেট কারের চালকের আসনে বসে থাকা আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে কাছেই অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে অবস্থিত নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে আবদুল হাকিমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিহত আবদুল হাকিম রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচখাইন গ্রামের বাসিন্দা। হামিম অ্যাগ্রো নামে তাঁর একটি গরুর খামার রয়েছে। কোনো পদে না থাকলেও নিহত আবদুল হাকিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
বিএনপির কর্মী আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যার ঘটনার ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল হাকিমের প্রাইভেট কারটি সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল। মাথায় হেলমেট ও মুখে মাস্ক পরা তিনজন প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল। এর মধ্যে একজন সন্ত্রাসী প্রথমে প্রাইভেট কারের চাকা লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং পরে চালকের পাশের আসনে বসা আবদুল হাকিমকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে।
স্থানীয় ও পুলিশের ভাষ্য, সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে করে প্রাইভেট কারটির পিছু নেয়। পরে প্রাইভেট কারটি থামিয়ে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেট কারটির সামনের ও পাশের কাচের গ্লাসে বেশ কয়েকটি ফুটো দেখা যায়।
এদিকে বিএনপির কর্মী আবদুল হাকিমকে খুনের ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রাউজান উপজেলার বিএনপিসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার প্রধান দুটি সড়ক (চট্টগ্রাম-কাপ্তাই ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি) অবরোধ করে এই বিক্ষোভ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা সড়কের ওপর গাছ ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে এবং সড়কের ওপর অবস্থান করে দুই পাশের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
দলীয় কোন্দলের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের। নিহত আবদুল হাকিম সম্প্রতি বালু ব্যবসার সঙ্গেও জড়ান।

চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ।
বুধবার বিকেলে কাজী মো. তারেক আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তারা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে খুনের ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।’
কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, এই খুনের নেপথ্যে এখনো কোনো কারণ জানা যায়নি। রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও পারিবারিক ঘটনা; সবদিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে এই বিষয়ে জানা যাবে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মদুনাঘাট ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় প্রাইভেট কারের ভেতরে থাকা মোহাম্মদ আবদুল হাকিমকে (৫২) গুলি করে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা। এ সময় প্রাইভেট কারের চালকের আসনে বসে থাকা আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে কাছেই অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে অবস্থিত নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে আবদুল হাকিমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিহত আবদুল হাকিম রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচখাইন গ্রামের বাসিন্দা। হামিম অ্যাগ্রো নামে তাঁর একটি গরুর খামার রয়েছে। কোনো পদে না থাকলেও নিহত আবদুল হাকিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
বিএনপির কর্মী আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যার ঘটনার ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল হাকিমের প্রাইভেট কারটি সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল। মাথায় হেলমেট ও মুখে মাস্ক পরা তিনজন প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল। এর মধ্যে একজন সন্ত্রাসী প্রথমে প্রাইভেট কারের চাকা লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং পরে চালকের পাশের আসনে বসা আবদুল হাকিমকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে।
স্থানীয় ও পুলিশের ভাষ্য, সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে করে প্রাইভেট কারটির পিছু নেয়। পরে প্রাইভেট কারটি থামিয়ে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেট কারটির সামনের ও পাশের কাচের গ্লাসে বেশ কয়েকটি ফুটো দেখা যায়।
এদিকে বিএনপির কর্মী আবদুল হাকিমকে খুনের ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রাউজান উপজেলার বিএনপিসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার প্রধান দুটি সড়ক (চট্টগ্রাম-কাপ্তাই ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি) অবরোধ করে এই বিক্ষোভ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা সড়কের ওপর গাছ ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে এবং সড়কের ওপর অবস্থান করে দুই পাশের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
দলীয় কোন্দলের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের। নিহত আবদুল হাকিম সম্প্রতি বালু ব্যবসার সঙ্গেও জড়ান।

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
১৫ মিনিট আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১৮ মিনিট আগে
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সিআইডি সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে মিডিয়া ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরের নিচতলায় এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে বলে।
২৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) অনুসন্ধান ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. সিরাজ উদ্দিন এই শোকজের নোটিশ দেন।
২৭ মিনিট আগে