নাটোরের লালপুর উপজেলায় তাম্মি আক্তার (২২) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁর সাবেক স্বামী রবিন হোসেনকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের শোভ দিদারপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশে এ ঘটনা ঘটে। তাম্মি আক্তার নাবীরপাড়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের মেয়ে এবং আব্দুলপুর সরকারি কলেজের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
অভিযুক্ত রবিন হোসেন উপজেলার চণ্ডীগাছা গ্রামের কসিম উদ্দিনের ছেলে।
নিহত নারীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে রবিন হোসেন ও তাম্মির বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ছয় মাস আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর সম্প্রতি আবার রবিন ও তাম্মির মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রবিন তাঁর সাবেক স্ত্রী তাম্মিকে শোভ দিদারপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে সেখানে তিনি গলা কেটে হত্যা করেন। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন রবিনকে আটকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে লালপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রবিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযুক্ত রবিনকে পুলিশের জিম্মায় নেওয়া হয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি রেললাইন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, তাই আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাঁকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ছাড়া নিহত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘নিহত নারীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। মামলা হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে