গণসংবর্ধনা ও মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে সপরিবারে এসে পৌঁছান তিনি।
তারেক রহমানের নিজের বাসভবনে আগমনকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই গুলশানের এভিনিউ রোডে ভিড় জমিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পৌঁছালে তাঁরা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান তাঁকে। এ সময় ‘তারেক রহমান এসেছে, বাংলাদেশ হেসেছে’, ‘তারেক রহমান ভয় নাই, রাজপথ ছাড়িনাই’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।
এদিকে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনের সড়ক বন্ধ করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ছাড়া আশপাশের এলাকায়ও নিরাপত্তা টহল চালিয়ে যাচ্ছেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।
মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বের হন তারেক রহমান। এখন তিনি গুলশানে ফিরোজার পাশে নির্ধারিত বাসভবনের দিকে যাচ্ছেন।

এর আগে বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিটে তিনি হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ করেন। পরে ৫ টা ৫৪ মিনিটে তিনি হাসপাতালে প্রবেশ করেন। ৫ টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌছান তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
তারেক রহমান হাসপাতালে প্রবেশের পর নেতা-কর্মীরা 'খালেদা জিয়া, তারেক রহমান', 'বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, তারেক রহমান জিন্দাবাদ', 'তারেক রহমানের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই'— স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা দেখা গেছে।
হাসপাতালে তারেক রহমান খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তার মায়ের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ খোঁজখবর নেন এবং প্রায় দেড় ঘন্টা হাসপাতালে অবস্থান করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌছেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিটে তিনি হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ করেন।
এর আগে ৫ টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌছান তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমান।
হাসপাতালে প্রবেশের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ ও ডা. জাহিদ হোসেনসহ দলের শীর্ষ নেতারা। তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
এ সময় উপস্থিত জনতা ও নেতাকর্মীরা স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান। তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা ১০ মিনিটে হাসপাতালে পৌছান তারা। তারেক রহমানও এভারকেয়ার হাসপাতালের পথে রয়েছেন।

বিমানবন্দর থেকে সোয়া তিন ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কে আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশের মঞ্চে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে প্রায় ১৬ মিনিট বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। বিমানবন্দর থেকে যে জাতীয় পতাকার রঙে সাজানো বাসে করে তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চে এসেছিলেন, সেই বাসেই হাসপাতালের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে বাসটি এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা দেয়। তবে মঞ্চ থেকে বাসে উঠতে তাঁকে বেশ বেগ পেতে হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীর্ঘ সময় ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তাঁকে নিরাপদে বাসে তুলে দেন। এর আগে নেতাকর্মী–সমর্থকদের জনসমুদ্র পেরিয়ে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান তারেক রহমান।
বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে তারেক রহমান মঞ্চে উঠে দাঁড়ান। এ সময় তাঁর সামনে লাখো নেতাকর্মী–সমর্থকের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।

‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব দ্য কান্ট্রি, ফর দ্য কান্ট্রি।’ দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে প্রথম বক্তৃতায় এ কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

১৭ বছর পর দেশের মাটিতে প্রথম বারের মতো কোনো জনসভায় সরাসরি বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে স্থাপিত গণসংবর্ধনা মঞ্চ থেকে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে নামে পরিচিত ৩০০ফুট মহাসড়কে স্থাপিত গণসংবর্ধনা মঞ্চের কাছে পৌঁছে গেছে তাঁকে বহনকারী বাসটি। এরই মধ্যে বাসে তাঁর সঙ্গে থাকা দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা বাস থেকে নেমে গেছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে কর্ডন করে মঞ্চে পৌঁছে দেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে স্থাপিত গণসংবর্ধনা মঞ্চের কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। তিনি শিগগির নেমে উপস্থিত নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

৩০০ ফুট সড়কে প্রবেশ করেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গাড়িবহর। তাঁকে বরণ করে নিতে উচ্ছ্বসিত নেতা–কর্মীরা।
তারেক রহমানের দেশে আগমন উপলক্ষে রাজধানীর ৩০০ ফুট সড়ক থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত এলাকায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আছে।
খিলক্ষেত থেকে বিমানবন্দর মহাসড়কের পাশে বিএনপির এই নেতাকে বরণ করে নিতে লাখো লাখো নেতা-কর্মী অবস্থান নিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে আগমন উপলক্ষে রাজধানীর ৩০০ ফুট সড়ক থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত এলাকায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আছে। অপরদিকে সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে রূপগঞ্জের নীলা মার্কেট পর্যন্ত সড়কের একই অবস্থা।
সরেজমিনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৩০০ ফিট সড়কের মঞ্চ থেকে খিলক্ষেত মহাসড়ক ও নীলা সড়ক পর্যন্ত ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এ ছাড়া, খিলক্ষেত থেকে বিমানবন্দর মহাসড়কের পাশে বিএনপির এই নেতাকে বরণ করে নিতে লাখো লাখো নেতা-কর্মী অবস্থান নিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিয়মিত বাহিনী ছাড়াও সাদা পোশাকে মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ছাড়া, বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকেও রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও ব্যাগ তল্লাশি করে দেখা যায় পুলিশকে।
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁকে বরণ করে নিয়ে রাজধানীর ৩০০ ফুট সড়কে আয়োজন করা হয়েছে বিশাল সংবর্ধনার ব্যবস্থা। তাঁকে বরণ করে নিতে কয়েক দিন ধরে এখানে চলছিল প্রস্তুতি। গত দুই দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতা-কর্মীরা এই সড়কে সমবেত হওয়া শুরু করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর এখন দেশের মাটিতে। বৃহস্পতিবার ১১টায় ৫৪ মিনিটে তিনি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেতরে প্রবেশ করেন। প্রথমেই তিনি বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জড়িয়ে ধরেন। পরে স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
এরপরই তারেক রহমানের শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ফুলে মালা পরিয়ে জামাতাকে বরণ করেন নেন। নাতনি জাইমাকে ও আদর করতে দেখা যায়। তারেক রহমান এসময় তাঁর পাশে কিছু সময় বসে থাকেন। এরপর বেলা ১২টা ২০ মিনিটে তারেক রহমানে স্ত্রী ও তাঁর মেয়ে সাদা রঙের একটি জিপ গাড়িতে উঠে বসেন।
দলের অন্য নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান বেলা ১২টা মিনিটে ৩২ মিনিটে লাল সবুজ রঙে একটি বুলেটপ্রুফ বাসে উঠে বসেন। দুই মিনিট পরে বাসটি বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিটের সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে যেতে শুরু করে।

অবশেষে দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৭ বছরের অপেক্ষার পর আজ সকাল ১১টা ৩৯ মিনিটে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে সকাল ১০টার দিকে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজটি। সেখান থেকে অবশেষে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজটি।

বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে কিছু সময় কাটিয়ে যাবেন গণসংবর্ধনা মঞ্চে।
বিমানবন্দর থেকে লাল-সবুজ রঙের বিশেষ একটি বাহনে করে রাজধানীর ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন তারেক রহমান। গণসংবর্ধনা মঞ্চ ঘিরে এরই মধ্যে পূর্বাচল ও এর আশেপাশের এলাকা জনারণ্যে পরিণত হয়েছে। যদিও খুব কম সময়ের জন্য এখানে অবস্থান করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন এখানে তারেক রহমান ছাড়া আর কোনো দ্বিতীয় বক্তা থাকবেন না।
সেখানকার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই অসুস্থ মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তিনি। এরপর গুলশানের বাসায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

অবশেষে ঢাকা এসে পৌঁছালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৭ বছরের অপেক্ষার পর পা রাখলেন দেশের মাটিতে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৩৯ মিনিটে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে, লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে সকাল ১০টার দিকে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজটি। সেখান থেকে অবশেষে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে উড়োজাহাজটি।
বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
বিমানবন্দর থেকে লাল-সবুজ রঙের বিশেষ একটি বাহনে করে রাজধানীর ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন তারেক রহমান। গণসংবর্ধনা মঞ্চ ঘিরে এরই মধ্যে পূর্বাচল ও এর আশেপাশের এলাকা জনারণ্যে পরিণত হয়েছে। যদিও খুব কম সময়ের জন্য এখানে অবস্থান করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন এখানে তারেক রহমান ছাড়া আর কোনো দ্বিতীয় বক্তা থাকবেন না।
সেখানকার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই অসুস্থ মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তিনি। এরপর গুলশানের বাসায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

তারেক রহমানকে নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪ মিনিটের দিকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। আনুমানিক বেলা ১২টার দিকে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারে ফ্লাইটটি।
এর আগে, তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টার গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে ফ্লাইটটি সকাল ১১টা ৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে প্রস্তুত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান সম্বলিত লাল রঙের বাসটি। এই বাসে করেই বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাবেন ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র মঞ্চে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে স্বাগত জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন।
এ সময় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টার গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজ আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর দেশে ফেরা নিয়ে হাস্যোজ্জল ছবি দিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ছবির ক্যাপশনে লিখেন ‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’
পোস্টে নিজের ছবি ছাড়াও স্ত্রী জুবাইদা রহমানসহ আরেকটি ছবিও দিয়েছেন তিনি। সিলেটে অবতরণের পর তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানও পৃথক ছবি পোস্ট করেছেন। তিনিও ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন ‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’
এর আগে, তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি–২০২ ফ্লাইটটি আজ সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এই ফ্লাইটটি সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। বিরতির সময়ে তারেক রহমান বিমানের ভেতরেই অবস্থান করবেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, যাত্রাবিরতি শেষে উড়োজাহাজটি সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটির অবতরণের কথা রয়েছে। তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
এর আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ বিরতির পর মাতৃভূমিতে ফেরার অনুভূতির কথা জানান তারেক রহমান। ছবির ক্যাপশনে লিখেন ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!’ একই পোস্ট শেয়ার করেছেন তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। তিনিও একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!’
১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিন। শুধু দিনের হিসাবে ৬ হাজার ৩১৪ দিন। মাতৃভূমি ছেড়ে থাকা দীর্ঘ এই সময়ের নির্বাসিত জীবনের ক্লান্তি চোখেমুখে লেগে আছে। অন্যদিকে সেই নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে নতুন প্রত্যাশার এক সকালের ঘোর লাগা অনুভূতি। ক্লান্তি আর তীব্র ভালোবাসার অনুভূতির মিশেলে দৃষ্টি দিয়েছেন উড়োজাহাজের জানালায়। এমন এক ছবি দিয়েই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ বিরতির পর মাতৃভূমিতে ফেরার অনুভূতির কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!
এক এগারোর সময় প্রায় ১৮ মাস কারান্তরীণ থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। সেই যাওয়ার পর এরই মধ্যে কেটে গেছে ১৭ বছর তিন মাস। ২৫ ডিসেম্বর দিনের হিসাবে ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর দেশে ফিরতে যাচ্ছেন তারেক। দীর্ঘ নির্বাসন জীবন শেষে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে দল ও দলের বাইরে প্রবল আগ্রহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনীতির মাঠে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা। দলের নেতা কর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষ তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।