
বগুড়ার গাবতলীতে ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক (৪৫) হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দীর্ঘ আট বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাজাহান কবীর এ রায় দেন। একই সঙ্গে রায়ে প্রত্যেক আসামির এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বাবুল প্রাং ওরফে আবুল কালাম আজাদ, মানিক ও মনিরুজ্জামান ওরফে মিশু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পিন্টু ওরফে মাজেদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন ও আশিক।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল বাছেদ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর ব্যবসায়ী ও দুর্গাহাটা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোজাম্মেল বৈঠাভাঙ্গা গ্রামে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের দাওয়াতে যান। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে তিনি ও তাঁর চাচাতো ভাই নয়ন, আসাদ বাড়িতে ফিরছিলেন।
তাঁরা দক্ষিণপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা তোজাম্মেল ও নয়নকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তোজাম্মেল মারা যান।
তিনি আরও জানান, রায়ে চার্জশিটভুক্ত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় আরও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে কেবল যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা আদালতে হাজির হননি। গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁদের সাজা কার্যকর হবে।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এডিস মশা জন্মাতে পারে —এমন সম্ভাব্য সব উৎস ও প্রজননক্ষেত্র অপসারণ বা ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি বন্ধ শ্রেণিকক্ষসহ স্কুল প্রাঙ্গণ ও আশপাশে লার্ভিসাইডিং (লার্ভা নিধন) ও এডালটিসাইডিং (মশকনিধন) কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
৪ মিনিট আগে
রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় চতুর্থ দিনের উদ্ধার অভিযান চলছে। ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
২৩ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চার বন্ধু দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে মুরাদনগর উপজেলার তিতাস এলাকা থেকে হাঁসের মাংস খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কৃষ্ণপুরে তাঁদের মোটরসাইকেলগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে সংঘর্ষ লেগে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই কাউসার মিয়া মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত পাঁচজনের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামে। আজ সকালে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ নিজ গ্রামে আনা হয়েছে। মরদেহ আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
২ ঘণ্টা আগে