
৮ গোলের ম্যাচে ৫ বার এগিয়ে-পিছিয়ে যাওয়ার নাটক। প্রথম ৪৫ মিনিটেই পাঁচ গোল, দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন। একদিকে সান্ডারল্যান্ডের ব্রায়ান ব্রোবির হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটির আক্রমণভাগের দাপট। শেষ পর্যন্ত ইতিহাদের এই গোলবন্যায় ৫–৩ ব্যবধানে জিতেছে এনজো মারেস্কার দল।

তবে ক্যারিক এই হারকে বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘এটা মাত্র একটি ম্যাচ। মৌসুমের প্রথম ম্যাচ, তাই হতাশাজনক এবং অবশ্যই কষ্টের। কিন্তু এতে হঠাৎ করে দলের বা ক্লাবের গতিপথ বদলে যায় না। আমাদের শান্ত থাকতে হবে এবং পরের ম্যাচের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

অ্যানফিল্ডে এমন অনেক সন্ধ্যা এসেছে, যখন আলোটা একটু অন্যরকম ছিল। গ্যালারির লাল সমুদ্র, ‘ইউ নেভার ওয়াক অ্যালোন’-এর সম্মিলিত সুর, আর মাঝখানে এক মানুষ দৌড়াচ্ছেন, কাটব্যাক দিচ্ছেন, গোল করছেন, হাত দুটো মেলে উদযাপন করছেন। গত নয় বছরে মোহামেদ সালাহকে নিয়ে অলরেড ভক্তদের কাছে এই দৃশ্য যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।

প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই এখন যে বিন্দুতে দাঁড়িয়ে, তাতে আগামী সপ্তাহের সিটি বনাম আর্সেনাল দ্বৈরথই হয়তো নির্ধারণ করে দেবে কার মাথায় উঠছে এবারের মুকুট।