একই শহরের দুই ক্লাব এভারটন ও লিভারপুল। তাদের দ্বৈরথটি মার্সিসাইড ডার্বি হিসেবেই পরিচিত। ডার্বির অসংখ্য স্মৃতি জমা পড়ে আছে এভারটনের ঘরের মাঠ গুডিসন পার্কে। আজ শেষবারের মতো এখানে একসঙ্গে খেলতে নামবে লিভারপুল-এভারটন।
আগামী মৌসুম থেকে নতুন স্টেডিয়ামে ঠিকানা গড়বে এভারটন। ৫৩ হাজার আসনবিশিষ্ট স্টেডিয়ামটি লিভারপুলের ব্রামলি মুরে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অসংখ্য স্মৃতি জমা হতে থাকে গুডিসন পার্কে। ১৮৯২ সালে স্টেডিয়ামটি নিয়ে দ্য আউট অব ডোরস পত্রিকা লিখেছিল, ‘গুডিসন পার্ক দেখুন! এটি এতটাই বিশাল যে এককভাবে পুরো দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব নয়।’ ১৮৯৪ ও ১৯১০ সালে এফএ কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় সেখানে। পরবর্তী সময়ে এটি শত বছরের বেশি সময় ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা স্টেডিয়ামে রূপ নেয়।
ইংলিশ ফুটবলে এভারটনের সেরা সময় ছিল আশির দশকে। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে দুটি লিগ শিরোপা, একটি এফএ কাপ, একটি উয়েফা কাপের শিরোপা জেতে তারা। এসব শিরোপা জয়ের পেছনে ভূমিকা রয়েছে গুডিসন পার্কের।
আগের মতো লিগে এখন আর শক্ত অবস্থায় নেই এভারটন। গত তিন মৌসুম ধরে রেলিগেশন এড়াতেই হিমশিম খেতে হয় তাদের। এই দুঃসময়েও গুডিসন পার্কে জড়ো হয়েছেন হাজারো সমর্থক।
এভারটনের একনিষ্ঠ ভক্ত পিটার ম্যাকফারলেন গুডিসন পার্ক নিয়ে বলেন, ‘এটি ইতিহাসে ভরা এক জায়গা। এই মাঠের আবহ বিশেষ এক রোমাঞ্চ এনে দেয়। আমরা সবাই গুডিসন পার্ককে মিস করব। এখানে আমার দাদা গিয়েছে, বাবা গিয়েছে। কিন্তু এখন সময় এসেছে এগিয়ে যাওয়ার।’
২৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৬তে আছে। ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা লিভারপুলকে ধরাশায়ী করে গুডিসন পার্কে নিশ্চয়ই আরও একটি স্মৃতি জমা করতে চাইবে তারা।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
৯ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
১০ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১২ ঘণ্টা আগে