আর্জেন্টিনার আজ জীবন-মরণ লড়াই। তাদের জিততেই হবে। কোনো বিকল্প নেই। হ্যাঁ, একটা দলের খারাপ দিন আসতেই পারে, তারা হারতে পারে। আর্জেন্টিনার সেই খারাপ দিনটা এসেছে সৌদি আরবের বিপক্ষে। সৌদির কাছে হারায় আর্জেন্টিনা যে মেক্সিকোর কাছে হেরে যাবে, সেটা বিশ্বাস করি না। আশা করি আর্জেন্টিনা জিতবে।
মেক্সিকোকে হারিয়ে পরের পর্বের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখবে।
প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার হারের বড় কারণ, সৌদি সেদিন আসলেই দুর্দান্ত খেলেছে। তারা ভালো খেলেছে এবং আর্জেন্টিনাকে তাদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি। যখনই তাদের পায়ে বল গেছে, সৌদির ফুটবলাররা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে আক্রমণে। আর্জেন্টাইনদের পায়ে যখনই বল গেছে ম্যান-টু-ম্যান মার্কিংয়ে, হাই লাইন ডিফেন্সে মাঠটাকে এত ছোট করে নিয়ে এসেছে যে মেসিদের প্রেসই করতে দেয়নি। জায়গা বের করে খেলতে দেয়নি। এ কারণেই আর্জেন্টিনাকে হারতে হয়েছে। আর বারবার সৌদির অফসাইড ফাঁদে পা দিয়েছে আর্জেন্টিনা। তিনটি গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডে। তিন নম্বর যে গোলটা বাতিল হয়েছে, সেটা তো প্রযুক্তি ছাড়া সাদা চোখে বোঝাই যেত না যে অফসাইড হয়েছে। এখন তাই বলে শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা খারাপ খেলেছে বলে পরের ম্যাচটা ভালো খেলবে না, সেটা বিশ্বাস করি না। বিশ্বাস করি, আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়াবে। প্রতিদিন যেমন নতুন করে সূর্যোদয় হয়, ঠিক সেভাবে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নতুন করে ফিরে আসবে।
আমি বলব না সৌদির বিপক্ষে আর্জেন্টিনা তাদের অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে হেরেছে। আমার কাছে বেশ ক্লান্ত মনে হয়েছে দলটাকে। একটা কারণ হতে পারে, খেলাটা হয়েছে কাতারের সময় দুপুর একটায়। সে সময় প্রচণ্ড গরম থাকে কাতারে। তখন হয়তো তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। অনেকেই বলছে, ছোট দলকে পাত্তা দেয়নি বলে আর্জেন্টিনা হেরেছে, এটা কোনো কারণই হতে পারে না। একজন খেলোয়াড় যখন মাঠে নামে তখন সব সময় সব দলের বিপক্ষে সিরিয়াস থাকে। খেলোয়াড়দের দেখে অনেকে ভাবে অন্য দলের খেলোয়াড়কে পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না। আসলে তা নয়। সব মিলিয়েই আর্জেন্টিনার আসলে সেদিন একটা খারাপ সময় গেছে।
আর্জেন্টিনা ফুটবল সম্পর্কিত খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন
তবে মেক্সিকোর বিপক্ষে একটা সুবিধা হচ্ছে মেক্সিকোও লাতিন আমেরিকার দেশ। আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো দুই দলই একে অপরকে ভালোভাবে জানে। পরিসংখ্যান কিংবা দলীয় শক্তিতে আর্জেন্টিনাই এগিয়ে ছিল, এগিয়ে থাকবে। একটা ম্যাচ হেরে হয়তো তাদের নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে কিন্তু আর্জেন্টিনা নিজেদের উজাড় করে মেক্সিকোকে হারিয়ে তাদের সম্ভাবনাটা বাঁচিয়ে রাখবে।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি ১৩ মিনিটে তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিসরকে। রুদ্ধশ্বাস এই প্রত্যাবর্তনের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।
৭ মিনিট আগে
সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
৩ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪ ঘণ্টা আগে