
প্রথমার্ধে সুযোগের অভাব, দ্বিতীয়ার্ধেও গোলশূন্য লড়াই। অতিরিক্ত সময়েও জাল কাঁপাতে পারেনি কেউ। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের স্নায়ুচাপে টিকে থেকে কলম্বিয়াকে ৪–৩ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা।
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচে দুদলই কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি। কলম্বিয়া প্রথমার্ধে কিছুটা প্রাধান্য দেখালেও গ্রেগর কোবেলকে পরাস্ত করতে পারেনি। সুইজারল্যান্ডও দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ে ও ফাবিয়ান রিডারের মাধ্যমে চাপ বাড়ায়, কিন্তু কামিলো ভার্গাসও ছিলেন সতর্ক।
অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের সেরা সুযোগগুলো তৈরি করে কলম্বিয়া। ৯৯ মিনিটে হুয়ান ফের্নান্দো কুইন্তেরোর কর্নার থেকে জন লুকুমির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ১০১ মিনিটে জামিন্তন কাম্পাসের দারুণ শট অসাধারণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন কোবেল। ১১৬ মিনিটে কাম্পাস একেবারে একা পেয়ে জোরালো শট মারলেও সেটি উড়ে যায় বারের ওপর দিয়ে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় অতিরিক্ত সময়।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক কোবেল। লুইস দিয়াস গোল করে আশা বাঁচালেও শেষ শটে রুবেন ভার্গাস কোনো ভুল করেননি। তাঁর জয়সূচক পেনাল্টিতেই ৪–৩ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে সুইজারল্যান্ড। ১২ জুলাই কানসাস সিটিতে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে