আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা
শিরোপার বড় দাবিদার হয়েই আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে এবং ফাইনালে নতুন করে তাদের শুরু করতে হবে। ফ্রান্স বিশ্বকাপের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। এই দলকে হারাতে হলে আর্জেন্টিনাকে কোনো ভুল করা চলবে না। স্কালোনিকে পুরো দল অনেক বিশ্বাস করে। সবাই স্কালোনির কাজ ও ধারণা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে। পাবলো আইমার এবং ওয়াল্টার স্যামুয়েল স্কালোনিকে পূর্ণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। দলের সবাই ফিট, যেটা মেসিকে ২০ বছর বয়সী কিশোরের মতো খেলার সাহস দিচ্ছে।
শক্তির জায়গা
আর্জেন্টিনা গ্রুপের সবচেয়ে খারাপ অবস্থান থেকে শীর্ষে উঠেছে, যেটা ভীষণ অনুপ্রেরণার। ফাইনাল হবে বুদ্ধির খেলা। আমার আশা, ছেলেরা ফাইনালের জন্য প্রস্তুত। তাদের শক্তির জায়গা অনেক। শুরুতে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের কথা বলতে হয়। গোল পোস্টের নিচে তাঁর নিরাপত্তা, মেজাজ আর ব্যক্তিত্ব আর্জেন্টিনাকে ভরসা জোগায়। সৌদি আরব ম্যাচে সেন্টার ডিফেন্ডাররা অসংখ্য ভুল করেছিল। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোয় তারা সেই ভুল শুধরেছে, বিশেষ করে নিকোলাস ওতামেন্দি। এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার আছে দুর্দান্ত ফর্মে। মাঝমাঠ থেকে দি পলকে তারা ক্লান্তিহীনভাবে আর ক্রমাগত বলের জোগান দিয়ে যায়। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আমি কোথাও বলেছিলাম, হুলিয়ান আলভারেস হবে এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সেরা আবিষ্কার এবং সেটাই হয়েছে। সবাই মিলে মেসিকে তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতাই করছে এবং মেসিও সেগুলোকে কাজে লাগাচ্ছে।
চিন্তা আছে যেখানে
আমার একটা জায়গায় খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে যে আর্জেন্টিনা ওপরে গিয়ে খুব বেশি বলের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না। আর এ কারণে নিচে এবং পোস্টের খুব কাছে এসে বলকে পায়ে রাখার চেষ্টা করতে হয়। কিলিয়ান এমবাপ্পেও দুশ্চিন্তার আরেক কারণ। তাঁর মতো দ্রুতগতির ফুটবলার যদি আর্জেন্টিনার অর্ধে বল পায় তাহলে সেটা ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে মেসি দুর্দান্ত ফর্মে আছে এবং হুলিয়ান আলভারেস, ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দি পলরা তাঁকে সহায়তার জন্য আছে। এবং এরাই ফ্রান্সকে আঘাত করতে যথেষ্ট।
ফুটবল বিশ্বকাপ সম্পর্কিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন
মেসি-ফ্যাক্ট
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা অবশ্যই মেসি। তবে জাতীয় দলের হয়ে তাঁকে আর খেলতে দেখা যাবে কি না সেটা শুধু সেই জানে। অবশ্য এই বয়সেও চোটমুক্ত থেকে আরও কিছুদিন খেলে যেতে পারলে হয়তো নিজ থেকেই আবারও হয়তো সে জাতীয় দলে খেলার উৎসাহ পাবে।
আমি প্রস্তুত, চলো আর্জেন্টিনা: মেসি
সম্ভাব্য ফরমেশন
ফাইনাল যেহেতু ফ্রান্সের বিপক্ষে, এমবাপ্পের গতি নিয়ে অবশ্যই দুশ্চিন্তা থাকার কথা স্কালোনির। গতিময় ফ্রান্সকে থামাতে স্কালোনির সম্ভাব্য ফরমেশন হতে পারে দুটি। একটি হতে পারে ৫ ডিফেন্ডারকে নিয়ে ৫-৩-২ ফরমেশন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও এই ফরমেশনে খেলেছিল আর্জেন্টিনা। আরেকটি হতে পারে দি মারিয়াকে একাদশে রেখে ৪-৩-৩ ফরমেশন। সে ক্ষেত্রে হয়তো লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে একাদশের বাইরে থাকতে হতে পারে।
বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা সমর্থন
বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থন মুগ্ধ করার মতো। শুধু বুয়েনস এইরেসেই নয়, পুরো আর্জেন্টিনা তৃতীয় বিশ্বকাপের জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে। বাংলাদেশি ভক্তদের সমর্থন আমাদের মুগ্ধ করেছে এবং আমরা এই সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।
‘মেসিদের নিয়ে বাবা গর্ব করতেন’
আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি, বাংলাদেশের সাবেক আর্জেন্টাইন কোচ
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি ১৩ মিনিটে তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিসরকে। রুদ্ধশ্বাস এই প্রত্যাবর্তনের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।
৭ মিনিট আগে
সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
৩ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪ ঘণ্টা আগে