নিজের নামের পাশে একটা বিশ্বকাপ থাকবে এমন স্বপ্নের পেছনে বহু বছর ধরেই ছুটছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু এর আগে চারবার বিশ্বকাপ খেলেও সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি তিনি। এবার আবারও সুযোগ পেয়েছেন খুদে জাদুকর।
মেসি এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হোন, এমনটা অনেক কিংবদন্তি চাইছেন এবং তাঁর জন্য অনেকে প্রার্থনাও করছেন। প্রার্থনা করছে তাঁর বড় ছেলে থিয়াগো মেসিও। ফাইনালের আগে বাবাকে একটি আবেগঘন চিঠিও লিখেছে সে।
ফুটবল বিশ্বকাপ সম্পর্কিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন
থিয়াগোর চিঠিটি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন তাঁর মা আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো। চিঠিটি মূলত একটি অনুপ্রেরণামূলক গান থেকে লেখা। মেসির ১০ বছর বয়সী ছেলে লিখেছে, ‘ছেলেরা, এখন আমরা আবারও রোমাঞ্চিত।’
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই মেসির পরিবার কাতারে আছে। প্রতিটি ম্যাচেই খুদে জাদুকরকে সমর্থন দিতে রোকুজ্জো তাঁদের তিন সন্তানকে নিয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকেন। এবার ফাইনালে মেসিকে স্বপ্নভঙ্গ নয়, শিরোপা হাতে দেখতে চায় তারা। এ জন্য ছেলের এমন আবেগঘন চিঠি।
৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ১৯৯০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেও তারা জিততে পারেনি তৃতীয় বিশ্বকাপ। তাই এবার দেশবাসীকে বিশ্বকাপ এনে দিতে মেসি-আনহেল দি মারিয়ারা বদ্ধপরিকর। তাঁদের স্বপ্নপূরণে আজ বাধা ফ্রান্স, যারা টানা দ্বিতীয়াবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে রয়েছে। এমন কঠিন ম্যাচের আগে তাই বাবা ও সতীর্থদের উজ্জীবিত করতে অনুপ্রেরণাদায়ক গানটি লিখেছে থিয়াগো। অবশ্য টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফুটবলাররা গানটি গেয়ে আসছেন।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

এতসব ক্লান্তি আর ঝামেলার পরও অবশ্য মাঠে নামতে তর সইছে না সেনেসির। শনিবারই টটেনহামের এই ডিফেন্ডার লিওনেল মেসির দলের সাথে তার প্রথম অনুশীলন সেশনে অংশ নিয়েছেন। কোচ লিওনেল স্কালোনির একাদশে জায়গা করে নিতে তিনি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ছুটিতে থাকার সময়ও সেনেসি নিয়মিত ব্যক্তিগত অনুশীলন চালিয়ে গেছেন, যেন শেষ
৩১ মিনিট আগে
নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিশাল মিডিয়া সেন্টারে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি ও দলের বড় তারকা আশরাফ হাকিমি ধর্মীয় রীতি মেনে সংবাদ সম্মেলন শুরু করলেন সালাম দিয়ে। ‘আসসালামু আলাইকুম’ শব্দটা অবশ্য অনেকবারই শোনা গেল সংবাদ সম্মেলনে।
১ ঘণ্টা আগে
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গতকাল ৪-১ গোলের দাপুটে জয় দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ঘরের মাঠে এমন শুরুর পেছনে কৃতিত্বটা জোড়া গোল করা ফোলারিন বালোগানের। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে এই প্যারাগুয়ের বিপক্ষেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম হ্যাটট্রিক করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বার্ট প্যাটেনোড।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে দুই গোল করে রাতারাতি তারকা বনে গেছেন ফোলারিন বালোগান। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের ব্যবধানে পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। বর্তমানে যিনি আমেরিকান, তাঁকে ইংলিশ বললেও ভুল হয় না, আবার নাইজেরিয়ানও বলা যায়।
৩ ঘণ্টা আগে