প্যারিসে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের রাতে বাজিমাত করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মোহামেদ সালাহ, সাদিও মানেদের স্তব্ধ করে দিয়ে স্কোর শিটে নাম তুলেছেন এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। রাতটা ভিনিসিয়ুসের বলেই কি না, প্রথমার্ধের ঠিক আগমুহূর্তে করিম বেনজেমার গোল অফসাইডে বাতিল হয়ে যায়!
ম্যাচের শুরু থেকে দাপটে ছিল লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে রিয়ালের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পাল্টা আক্রমণে পাশার দান উল্টে দেয় রিয়াল। আর এখানে মূল কাজটি যিনি করেছেন, তিনি ভিনিসিয়ুস। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ডি বক্সের ডান দিক থেকে ভালভারদে বল বাড়ান ভিনিসিয়ুসের দিকে। ততক্ষণে বক্সে ঢুকে পড়েছেন তিনি। বল পেয়েই ঠান্ডা মাথায় আলতো ছোঁয়ায় জালে জড়িয়ে দেন এই ব্রাজিলিয়ান। গোলপোস্টে থিবো হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঠিক, তবে ভিনিসিয়ুসের গোলই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দিয়েছে।
একবিংশ শতাব্দীতে জন্ম নেওয়া প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে গোল করলেন ২০০০ সালের ১২ জুলাই জন্ম নেওয়া ভিনিসিয়ুস। তাঁর একমাত্র গোলেই ২০১৮ সালের পর আরও একবার লিভারপুলকে হারিয়ে শিরোপার উল্লাসে মাতল লস ব্লাঙ্কোসরা। শুধু ফাইনালেই নয়, পুরো মৌসুমই দুর্দান্ত ছিলেন ভিনিসিয়ুস। ফাইনাল ম্যাচে এসে দিলেন তুলির শেষ আঁচড়টা।
লিভারপুল-রিয়াল সম্পর্কিত পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৮ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে