দুর্ঘটনায় পড়ার প্রায় ১৫ মাস পর ২০২৪ আইপিএল দিয়ে পেশাদার ক্রিকেটে ফিরলেন ঋষভ পন্ত। ফিরেছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক হয়েই। ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ফিরতে না ফিরতেই নাম লেখালেন বিরাট কোহলি-গৌতম গম্ভীরদের রেকর্ডে।
পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে চলতি সপ্তাহের শনিবার ফেরার ম্যাচটা অবশ্য রাঙানো হয়নি পন্তের। মুল্লানপুরের সেই ম্যাচে ১৩ বলে করেন ১৮ রান। পাঞ্জাব জেতে ৪ উইকেটে। জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে আজ দিল্লি খেলছে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে। ম্যাচে টস করতে নেমেই নাম লিখিয়েছেন রেকর্ড বইয়ে। দিল্লির প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে ১০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েন পন্ত। আইপিএলে কোনো নির্দিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ম্যাচের সেঞ্চুরির তালিকায় পন্তসহ আছেন ৭ ক্রিকেটার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) জার্সিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েন কোহলি। ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১৬ বছর আরসিবির হয়ে খেলেছেন ২৩৯ ম্যাচ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে প্রথম ১০০ ম্যাচ খেলেন গৌতম গম্ভীর।
২০১৬ সালে গুজরাট লায়নসের বিপক্ষে আইপিএলে অভিষেক হয় পন্তের। ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটারের ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম ছিল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। ৮ বছরের আইপিএল ক্যারিয়ারে করেছেন ২৮৫৬ রান। গড় ৩৪.৪১ ও স্ট্রাইকরেট ১৪৭.৯০। পন্তের শততম ম্যাচ খেলার কীর্তির দিন দিল্লি টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে। প্রথমে ব্যাটিং পেয়ে রাজস্থান এখনো পর্যন্ত ১৬ ওভারে ৪ উইকেটে করেছে ১২৩ রান।
পন্তের পর দিল্লির হয়ে ৯৯ ম্যাচ খেলে দুইয়ে অমিত মিশ্র। দিল্লির হয়ে ম্যাচ খেলার তালিকায় তিন, চার ও পাচে আছেন শ্রেয়াস আইয়ার, ডেভিড ওয়ার্নার ও বীরেন্দর শেবাগ। আইপিএলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে আইয়ার, ওয়ার্নার ও শেবাগ খেলেন ৮৭,৮২ ও ৭৯ ম্যাচ। যার মধ্যে পন্তের সঙ্গে আজ খেলছেন ওয়ার্নার।
আইপিএলে নির্দিষ্ট কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ১০০ ম্যাচ খেলা প্রথম ক্রিকেটার
সুরেশ রায়না (চেন্নাই)
হরভজন সিং (মুম্বাই)
বিরাট কোহলি (বেঙ্গালুরু)
গৌতম গম্ভীর (কলকাতা)
অজিঙ্কা রাহানে (রাজস্থান)
ভুবনেশ্বর কুমার (হায়দরাবাদ)
ঋষভ পন্ত (দিল্লি)

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে