
২০০৮ সালে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে (বর্তমানে পাঞ্জাব কিংস) যোগ দেন লি। দলটির অন্যতম মালিক ছিলেন প্রীতি। ২০১০ সাল পর্যন্ত পাঞ্জাবের হয়ে খেলার পর ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে নাম লেখান লি। সেই সময় থেকেই দুজনকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়ায়। তবে এত দিন বিষয়টি নিয়ে

ফাইনালে খেলেননি, শিরোপাও জেতেননি। তবু আইপিএলের ফাইনালে সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত এক মৌসুমের পুরস্কার হিসেবে একে একে জিতে নিয়েছেন অরেঞ্জ ক্যাপ, সর্বোচ্চ ছক্কার স্বীকৃতি, মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার ও ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য সিজনের পুরস্কার।

আরশাদ খানের করা লেন্থ বলটিকে একটু পিছিয়ে লং-অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করলেন বিরাট কোহলি। এরপর গ্যালারির দিকে ইশারা করে দুই হাত কাপের মতো করে নেড়ে উদযাপন করেন। সঙ্গে সঙ্গে সতীর্থরা মাঠে ছুটে এসে উল্লাসে মেতে ওঠেন। আইপিএলের ফাইনালে গুজরাট টাইটানসকে ৫ উইকেটে হারানোর পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গা

১২টি ছক্কার মধ্যে ৮টিই এসেছে প্রথম পাওয়ারপ্লেতে, যা আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। চলতি মৌসুমে পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারেই সূর্যবংশী রান তুলেছেন ৪৯০। এর মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের আইপিএলে পাওয়ারপ্লেতে ডেভিড ওয়ার্নারের করা ৪৬৭ রানের রেকর্ডটি ভাঙলেন এই কিশোর। সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে