৪৫৪ দিন পর আইপিএল দিয়ে মাঠে ফিরলেন। তবে প্রত্যাবর্তন রাঙানো হলো না ঋষভ পন্তের। আশা জাগিয়েও দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক ফিরলেন ১৩ বলে ২ চারে ১৮ রান করে। স্ট্রাইকরেট—১৩৮.৪৬।
আজ চণ্ডীগড়ে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ করে দিল্লি। দুই অস্ট্রেলিয়ান ডেভিড ওয়ার্নার (২৮) ও মিচেল মার্শের (২০) ওপেনিং জুটিতে ৩৯ রান পায় তারা। সেই জুটি ভাঙেন আর্শদীপ সিং। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্শকে ফিরিয়ে।
স্কোরবোর্ডে আর ৩৫ রান জমা পড়তেই ফেরেন ওয়ার্নারও। এরপর আইপিএলে অভিষিক্ত শাই হোপ ৩৩ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন। পন্তের সঙ্গে ১৬ বলে ২০ রানের জুটি গড়েন তিনি। তবে সুন্দর শুরুর পর মিডল অর্ডার ব্যর্থ দিল্লির। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬.৩ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
আইপিএলে ২০১৬ সাল থেকে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন পন্ত। তবে সড়ক দুর্ঘটনায় পড়ায় ২০২৩ আইপিএল খেলতে পারেননি। ২০২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হোন ভারতের এই উইকেটরক্ষক। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দিল্লি থেকে বাড়ি ফেরার পথে হরিদ্বারের ররকিতে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পন্তের গাড়ি। ররকির স্থানীয় এক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়ার তাঁকে দেরাদুনের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পর লম্বা সময় ধরে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকতে হয় তাঁকে।
আজ আইপিএলের ম্যাচ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার আগে পন্ত সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২২ ডিসেম্বর থেকে মিরপুরে শুরু সেই টেস্টে দুই ইনিংসে তিনি করেছিলেন ৯৩ ও ৯ রান।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৩৪ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে