নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
এসময় জাপা’র সভাপতিমন্ডলীর সিনিয়র সদস্য রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জিএম কাদের ছাড়াও মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। জাপা নেতৃবৃন্দ প্রায় ৩০ মিনিট মোদির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন।
জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী তথ্যটি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সাক্ষাৎ হয়। এতে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাক্ষাৎকারে আলাপ-আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেব।
উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান নরেন্দ্র মোদি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন তিনি। এছাড়া দুই দিনের সফরে মোদির আরও অনেক জায়গায় সফর করার কথা রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
এসময় জাপা’র সভাপতিমন্ডলীর সিনিয়র সদস্য রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জিএম কাদের ছাড়াও মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। জাপা নেতৃবৃন্দ প্রায় ৩০ মিনিট মোদির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন।
জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী তথ্যটি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সাক্ষাৎ হয়। এতে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাক্ষাৎকারে আলাপ-আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেব।
উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান নরেন্দ্র মোদি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন তিনি। এছাড়া দুই দিনের সফরে মোদির আরও অনেক জায়গায় সফর করার কথা রয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতবেদক, ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
৩০ আসনে এনসিপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন- পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী) মো. সারজিস আলম, দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা) মো. আব্দুল আহাদ, রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা) আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা) আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা) এস.এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর উপজেলা) এস.এম. সাইফ মোস্তাফিজ, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা) সাইফুল্লাহ হায়দার, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা উপজেলা) জাহিদুল ইসলাম, নেত্রকোণা-২ (নেত্রকোণা সদর ও বারহাট্টা উপজেলা) ফাহিম রহমান খান পাঠান, মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা) মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা) মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানা) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা থানা) মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত থানা) আরিফুল ইসলাম, ঢাকা-১৯ (সাভার) দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ (ধামরাই) নাবিলা তাসনিদ, গাজীপুর-২ (সিটি কর্পোরেশনের একাংশ, সেনানিবাস) আলী নাছের খান, নরসিংদী-২ (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক) মো. গোলাম সারোয়ার, নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক) আব্দুল্লাহ আল আমিন, রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা) জামিল হিজাযী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা) আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা) আতাউল্লাহ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার উপজেলা) মো. আবুল হাসানাত, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক) সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা) আব্দুল হান্নান মাসউদ, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা) মো. মাহবুব আলম, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও- পাঁচলাইশ এলাকা) মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা) প্রীতম দাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি মনিরা শারমিনের সুপারিশক্রমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে এনসিপির মনোনয়নে এই প্রার্থীরা লড়বেন।
এনসিপি শুরুতে ১২৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট ঘোষণার পর এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৭টিতে। এরপর আসন সমঝোতার হিসেবে শেষমেশ এনসিপি প্রার্থীর সংখ্যা ৩০-এ নেমে এলো।
এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই ত্রিশ জনই আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী। এর বাইরে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। যদি কেউ থেকেও থাকে। তারা এনসিপির প্রার্থী বলে গণ্য হবেন না। সেই সব প্রার্থীদের বাতিল করার জন্য আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
৩০ আসনে এনসিপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন- পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী) মো. সারজিস আলম, দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা) মো. আব্দুল আহাদ, রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা) আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা) আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা) এস.এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর উপজেলা) এস.এম. সাইফ মোস্তাফিজ, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা) সাইফুল্লাহ হায়দার, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা উপজেলা) জাহিদুল ইসলাম, নেত্রকোণা-২ (নেত্রকোণা সদর ও বারহাট্টা উপজেলা) ফাহিম রহমান খান পাঠান, মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা) মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা) মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানা) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা থানা) মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত থানা) আরিফুল ইসলাম, ঢাকা-১৯ (সাভার) দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ (ধামরাই) নাবিলা তাসনিদ, গাজীপুর-২ (সিটি কর্পোরেশনের একাংশ, সেনানিবাস) আলী নাছের খান, নরসিংদী-২ (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক) মো. গোলাম সারোয়ার, নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক) আব্দুল্লাহ আল আমিন, রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা) জামিল হিজাযী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা) আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা) আতাউল্লাহ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার উপজেলা) মো. আবুল হাসানাত, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক) সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা) আব্দুল হান্নান মাসউদ, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা) মো. মাহবুব আলম, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও- পাঁচলাইশ এলাকা) মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা) প্রীতম দাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি মনিরা শারমিনের সুপারিশক্রমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে এনসিপির মনোনয়নে এই প্রার্থীরা লড়বেন।
এনসিপি শুরুতে ১২৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট ঘোষণার পর এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৭টিতে। এরপর আসন সমঝোতার হিসেবে শেষমেশ এনসিপি প্রার্থীর সংখ্যা ৩০-এ নেমে এলো।
এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই ত্রিশ জনই আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী। এর বাইরে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। যদি কেউ থেকেও থাকে। তারা এনসিপির প্রার্থী বলে গণ্য হবেন না। সেই সব প্রার্থীদের বাতিল করার জন্য আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
২৬ মার্চ ২০২১
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১১ ঘণ্টা আগেমো. হুমায়ূন কবীর ও তানিম আহমেদ, ঢাকা

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এসব প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লড়াইয়ের সুযোগ করে দেয়। ইসির শুনানি শেষে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা তিনজন ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে থাকাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ১০ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪, জাতীয় পার্টির ২, খেলাফত মজলিসের ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১ এবং ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
ইসি সূত্র জানায়, দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রে ইসি তার অবস্থান শিথিল করেছে। এসব প্রার্থীর অধিকাংশই গত ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব ছেড়েছেন। যাঁরা নাগরিকত্ব ছাড়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদনের ফি জমা দিয়েছেন, এমন প্রমাণ যাঁরা দিয়েছেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। অনেকের কাছ থেকে ইসি দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার বিষয়ে হলফনামাও জমা নিয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বরের আগে এমন প্রমাণ দেখাতে পারলে তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে কমিশন। তবে কেউ আবেদন করলেই সব দেশের নাগরিকত্ব বাতিল হয় না। নাগরিকত্ব বাতিলের আগে দেশভেদে নানান বিধান রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইসির এমন ব্যাখ্যার অপব্যবহারের সুযোগ আছে। এ ক্ষেত্রে কেউ আবেদন করেই নির্বাচন অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবেদনটি প্রত্যাহার কিংবা আবেদন মঞ্জুর না হলে কিংবা নাগরিকত্ব ত্যাগ করা পূর্ণতা না পেলে আইনের মূল উদ্দেশ্যের অপব্যবহার হতে পারে। এই অপব্যবহারের সুযোগ বন্ধ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের দ্বৈত নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শপথের দিন যদি অন্য দেশের পাসপোর্ট থেকেই যায়, তাহলে তো তিনি দ্বৈত নাগরিক।
তবে আবেদন করার মাধ্যমে বোঝাচ্ছেন, তিনি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে চান। এ ক্ষেত্রে ত্যাগ করতে চাওয়া, আবেদন করা এবং নাগরিকত্ব ছাড়া একই বিষয় নয়।
দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন গ্রহণের প্রমাণ যাঁরা দিয়েছেন এবং আবেদন করার জন্য যেসব প্রক্রিয়া রয়েছে, সেগুলো পূরণের প্রমাণ যাঁরা দিতে পারছেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছি। কারণ, আবেদন করার অর্থ হচ্ছে আমার গ্রহণ করার সুযোগ নেই।’
ইসির সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক মনে করছেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি তো বিচারিক আদালতে। কমিশন তাদের বিবেচনায় মনে করেছে, প্রার্থীদের অবস্থান যথাযথ। সেই হিসেবে তারা বৈধ ঘোষণা করেছে।
দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করলে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন আরেকটি বিধান যুক্ত করা হয়। সেখানে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২ক) দফা অনুসারে ৬৬ অনুচ্ছেদের (৯২) দফার (গ) উপদফাতে যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে এবং পরবর্তী সময়ে ওই ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে; কিংবা অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে, এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন বলে গণ্য হবে না।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে আপিল শুনানিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আপিল শুনানি শেষে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্বের আপিলের ক্ষেত্রে কমিশন সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একেকজনের ক্ষেত্রে একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সিইসি বলেন, ‘অনেকে নির্যাতিত। তাঁরা জীবন বাঁচানোর জন্য অন্য দেশের সিটিজেন হয়েছেন। আমরা যদি আগের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনা নিয়ে থাকি, তাহলে আমরা এগোতে পারব না। যে গণবিপ্লব হয়েছে, সেটার সুবিধা যাতে দেশ-জাতি পায়, সেই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণ করে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’
হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) উল্লেখ করেননি। আপিল শুনানির আগেই তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার বিষয়টি কমিশনকে লিখিতভাবে জানান। কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি উল্লেখ করেননি। আপিল শুনানিতে অংশ না নেওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে ইসি।
ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যাঁরা নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনী হলফনামায় সত্য বলেছিলেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়াকে সঠিক মনে করি। আর যাঁরা হলফনামায় উল্লেখ করেননি, সেটাকে অবৈধ মনে করি।’
যে ১৫ জন প্রার্থী যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন, তাঁরা হলেন রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মঞ্জুম আলী, নাটোর-১ খেলাফত মজলিসের মো. আজাবুল হক, যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহবুবুল আলম, সিলেট-১ আসনে এনসিপির এহতেশামুল হক, ঢাকা-১ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপির এ কে এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা-৪-এ বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জ-২ বিএনপির তাহির রায়হান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ স্বতন্ত্র মো. আনোয়ার হোসেন, মৌলভীবাজার-২ বিএনপির মো. শওকতুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ স্বতন্ত্র শেখ সুজাত মিয়া, ফেনী-৩ বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির আফরোজা খানম।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছাড়া তিনজন হলেন ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের এ কে এম ফজলুল হক ও চট্টগ্রাম-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।
কানাডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করা দুজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জামায়াতের মো. জোনায়েদ হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির মুশফিকুর রহমান।
তুরস্কের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব ছেড়েছেন শেরপুর-২ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং ফিনল্যান্ডের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও ময়মনসিংহ-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ রানা এবং জার্মানির নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এসব প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লড়াইয়ের সুযোগ করে দেয়। ইসির শুনানি শেষে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা তিনজন ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে থাকাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ১০ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪, জাতীয় পার্টির ২, খেলাফত মজলিসের ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১ এবং ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
ইসি সূত্র জানায়, দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রে ইসি তার অবস্থান শিথিল করেছে। এসব প্রার্থীর অধিকাংশই গত ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব ছেড়েছেন। যাঁরা নাগরিকত্ব ছাড়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদনের ফি জমা দিয়েছেন, এমন প্রমাণ যাঁরা দিয়েছেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। অনেকের কাছ থেকে ইসি দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার বিষয়ে হলফনামাও জমা নিয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বরের আগে এমন প্রমাণ দেখাতে পারলে তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে কমিশন। তবে কেউ আবেদন করলেই সব দেশের নাগরিকত্ব বাতিল হয় না। নাগরিকত্ব বাতিলের আগে দেশভেদে নানান বিধান রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইসির এমন ব্যাখ্যার অপব্যবহারের সুযোগ আছে। এ ক্ষেত্রে কেউ আবেদন করেই নির্বাচন অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবেদনটি প্রত্যাহার কিংবা আবেদন মঞ্জুর না হলে কিংবা নাগরিকত্ব ত্যাগ করা পূর্ণতা না পেলে আইনের মূল উদ্দেশ্যের অপব্যবহার হতে পারে। এই অপব্যবহারের সুযোগ বন্ধ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের দ্বৈত নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শপথের দিন যদি অন্য দেশের পাসপোর্ট থেকেই যায়, তাহলে তো তিনি দ্বৈত নাগরিক।
তবে আবেদন করার মাধ্যমে বোঝাচ্ছেন, তিনি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে চান। এ ক্ষেত্রে ত্যাগ করতে চাওয়া, আবেদন করা এবং নাগরিকত্ব ছাড়া একই বিষয় নয়।
দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন গ্রহণের প্রমাণ যাঁরা দিয়েছেন এবং আবেদন করার জন্য যেসব প্রক্রিয়া রয়েছে, সেগুলো পূরণের প্রমাণ যাঁরা দিতে পারছেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছি। কারণ, আবেদন করার অর্থ হচ্ছে আমার গ্রহণ করার সুযোগ নেই।’
ইসির সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক মনে করছেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি তো বিচারিক আদালতে। কমিশন তাদের বিবেচনায় মনে করেছে, প্রার্থীদের অবস্থান যথাযথ। সেই হিসেবে তারা বৈধ ঘোষণা করেছে।
দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করলে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন আরেকটি বিধান যুক্ত করা হয়। সেখানে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২ক) দফা অনুসারে ৬৬ অনুচ্ছেদের (৯২) দফার (গ) উপদফাতে যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে এবং পরবর্তী সময়ে ওই ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে; কিংবা অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে, এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন বলে গণ্য হবে না।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে আপিল শুনানিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আপিল শুনানি শেষে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্বের আপিলের ক্ষেত্রে কমিশন সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একেকজনের ক্ষেত্রে একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সিইসি বলেন, ‘অনেকে নির্যাতিত। তাঁরা জীবন বাঁচানোর জন্য অন্য দেশের সিটিজেন হয়েছেন। আমরা যদি আগের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনা নিয়ে থাকি, তাহলে আমরা এগোতে পারব না। যে গণবিপ্লব হয়েছে, সেটার সুবিধা যাতে দেশ-জাতি পায়, সেই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণ করে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’
হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) উল্লেখ করেননি। আপিল শুনানির আগেই তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার বিষয়টি কমিশনকে লিখিতভাবে জানান। কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি উল্লেখ করেননি। আপিল শুনানিতে অংশ না নেওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে ইসি।
ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যাঁরা নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনী হলফনামায় সত্য বলেছিলেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়াকে সঠিক মনে করি। আর যাঁরা হলফনামায় উল্লেখ করেননি, সেটাকে অবৈধ মনে করি।’
যে ১৫ জন প্রার্থী যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন, তাঁরা হলেন রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মঞ্জুম আলী, নাটোর-১ খেলাফত মজলিসের মো. আজাবুল হক, যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহবুবুল আলম, সিলেট-১ আসনে এনসিপির এহতেশামুল হক, ঢাকা-১ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপির এ কে এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা-৪-এ বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জ-২ বিএনপির তাহির রায়হান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ স্বতন্ত্র মো. আনোয়ার হোসেন, মৌলভীবাজার-২ বিএনপির মো. শওকতুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ স্বতন্ত্র শেখ সুজাত মিয়া, ফেনী-৩ বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির আফরোজা খানম।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছাড়া তিনজন হলেন ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের এ কে এম ফজলুল হক ও চট্টগ্রাম-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।
কানাডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করা দুজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জামায়াতের মো. জোনায়েদ হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির মুশফিকুর রহমান।
তুরস্কের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব ছেড়েছেন শেরপুর-২ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং ফিনল্যান্ডের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও ময়মনসিংহ-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ রানা এবং জার্মানির নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
২৬ মার্চ ২০২১
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৮ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি। গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে দলটির মাত্র ২১ ‘বিদ্রোহীর’ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকছেন বিএনপির অন্তত ৬১ জন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গতকাল। আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
৩০০ সংসদীয় আসন থেকে ঠিক কতজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে সে হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া যায়।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর বিদ্রোহীদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এই দলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকছেন একজন। দলের নির্দেশ শর্তেও মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতের নেতা আব্দুল মন্নান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
আর জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থেকে যাচ্ছেন অনেক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীও।
বিএনপির যাঁরা প্রত্যাহার করলেন
বিএনপির বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন রাজশাহী-১ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেক, পাবনা-৪ আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদার, ঝালকাঠি-১ গোলাম আযম সৈকত, ঠাকুরগাঁও-২ জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ মীর সরাফত আলী সপু, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-১ এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, নেত্রকোন-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবণী, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, যশোর-১ হাসান জহির, কুমিল্লা-১ খন্দকার মারুফ হোসেন, ভোলা-১ গোলাম নবী আলমগীর, কুমিল্লা-৬ মো. আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী, গাজীপুর-২ মো. সালাহউদ্দিন সরকার, জয়পুরহাট-২ গোলাম মোস্তফা, নোয়াখালী-৫ হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান রোমান, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার।
তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও পরে বিদ্রোহী অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন একজন। নাটোর-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তিনি অন্য এক বিদ্রোহী প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে সমর্থন দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির বিদ্রোহী যাঁরা ভোটের মাঠে
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, পাবনা-৪ ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, পাবনা-৩ চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, নওগাঁ-১ ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নওগা-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, গাইবান্ধা-৫ গোলাম শহীদ রঞ্জু, গাইবান্ধা-৫ নিশাদুজ্জামান নিশাদ, দিনাজপুর-২ আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, দিনাজপুর-৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৫ জাকারিয়া বাচ্চু, ঝালকাঠি-১ মঈন আলম ফিরোজী, ঝালকাঠি-১ সাব্বির আহমেদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, কুষ্টিয়া-১ নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নীলফামারী-৪ রিয়াদ আরফান সরকার রানা, নীলফামারী-৪ এস এম মামুনুর রশীদ, নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-১ ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, সুনামগঞ্জ-৩ ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নেত্রকোনা-৩ দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, কুমিল্লা-২ আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ সামিরা আজিম দোলা, বাগেরহাট-১ এম এ এইচ সেলিম, বাগেরহাট-১ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ এইচ সেলিম, বাগেহাট-৪ কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, যশোর-২ জহুরুল ইসলাম, যশোর-৫ শহীদ ইকবাল হোসেন, বরিশাল-১ আব্দুস সোবাহান, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক, গোপালগঞ্জ-২ এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় থেকে গেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ নাসির উদ্দিন হাজারী, মৌলভীবাজার-৪ মহসিন রশিদ মিয়া মধু, চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান, টাঙ্গাইল-১ বিএনপির বহিষ্কৃত মোহাম্মদ আলী ও কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ মো. আব্দুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল-৮ সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল, সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহিদুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারীপুর-১ শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান নুরউদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-২ শহীদুল ইসলাম খান, নারায়ণগঞ্জ-৩ সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৪ সাবেক এমপি শাহ আলম এবং চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান।

জামায়াতে ইসলামীর যাঁরা প্রত্যাহার করেছেন
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে এ বি এম ফজলুল করিম, খুলনা-৪ মো. কবিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান আলী, নাটোর-৩ সাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৩ ইয়াছিন খান, নেত্রকোনা-২ এনামুল হক, ঢাকা-৯ কবির আহমেদ, ঢাকা-১৮ মোহাম্মদ আশরাফুল হক, ঢাকা-১৯ মো. আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আব্দুর রউফ, গাজীপুর-২ মোহাম্মদ হোসেন আলী, গাজীপুর-৩ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শরীয়তপুর-১ মোশাররফ হোসেন মাসুদ, সিলেট-৩ লোকমান আহমদ, সিলেট-৫ মো. আনওয়ার হোসাইন খান, সিলেট-২ মো. আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ ইয়াছিন আলী সরকার, মৌলভীবাজার-৪ মোহাম্মদ আব্দুর রব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মোবারক হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. জোনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আবদুল বাতেন, কুমিল্লা-৭ মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-২ সাইয়েদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, মাদারীপুর-১ মো. সরোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মুহাম্মদ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, রাঙামাটি মোখতার আহমেদ ও বরগুনা-১ মহিবুল্লাহ হারুণ।
নির্বাচনে ১০২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১০৪ জন। সর্বমোট ১৩ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ট্রাক প্রতীকে লড়বেন ৯১ জন।
আর এনসিপি নেতাদের মধ্যে ঝালকাঠি-১ মাহমুদা মিতু, চুয়াডাঙ্গা-১ মোল্লা ফারুক এহসান, ঢাকা-৫ এস এম শাহরিয়া ও ঢাকা-৭ আসনে তারেক আহাম্মেদ আদেল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার করেননি ফরিদপুর-১ আসনে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান।

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি। গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে দলটির মাত্র ২১ ‘বিদ্রোহীর’ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকছেন বিএনপির অন্তত ৬১ জন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গতকাল। আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
৩০০ সংসদীয় আসন থেকে ঠিক কতজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে সে হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া যায়।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর বিদ্রোহীদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এই দলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকছেন একজন। দলের নির্দেশ শর্তেও মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতের নেতা আব্দুল মন্নান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
আর জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থেকে যাচ্ছেন অনেক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীও।
বিএনপির যাঁরা প্রত্যাহার করলেন
বিএনপির বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন রাজশাহী-১ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেক, পাবনা-৪ আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদার, ঝালকাঠি-১ গোলাম আযম সৈকত, ঠাকুরগাঁও-২ জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ মীর সরাফত আলী সপু, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-১ এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, নেত্রকোন-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবণী, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, যশোর-১ হাসান জহির, কুমিল্লা-১ খন্দকার মারুফ হোসেন, ভোলা-১ গোলাম নবী আলমগীর, কুমিল্লা-৬ মো. আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী, গাজীপুর-২ মো. সালাহউদ্দিন সরকার, জয়পুরহাট-২ গোলাম মোস্তফা, নোয়াখালী-৫ হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান রোমান, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার।
তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও পরে বিদ্রোহী অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন একজন। নাটোর-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তিনি অন্য এক বিদ্রোহী প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে সমর্থন দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির বিদ্রোহী যাঁরা ভোটের মাঠে
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, পাবনা-৪ ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, পাবনা-৩ চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, নওগাঁ-১ ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নওগা-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, গাইবান্ধা-৫ গোলাম শহীদ রঞ্জু, গাইবান্ধা-৫ নিশাদুজ্জামান নিশাদ, দিনাজপুর-২ আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, দিনাজপুর-৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৫ জাকারিয়া বাচ্চু, ঝালকাঠি-১ মঈন আলম ফিরোজী, ঝালকাঠি-১ সাব্বির আহমেদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, কুষ্টিয়া-১ নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নীলফামারী-৪ রিয়াদ আরফান সরকার রানা, নীলফামারী-৪ এস এম মামুনুর রশীদ, নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-১ ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, সুনামগঞ্জ-৩ ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নেত্রকোনা-৩ দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, কুমিল্লা-২ আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ সামিরা আজিম দোলা, বাগেরহাট-১ এম এ এইচ সেলিম, বাগেরহাট-১ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ এইচ সেলিম, বাগেহাট-৪ কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, যশোর-২ জহুরুল ইসলাম, যশোর-৫ শহীদ ইকবাল হোসেন, বরিশাল-১ আব্দুস সোবাহান, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক, গোপালগঞ্জ-২ এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় থেকে গেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ নাসির উদ্দিন হাজারী, মৌলভীবাজার-৪ মহসিন রশিদ মিয়া মধু, চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান, টাঙ্গাইল-১ বিএনপির বহিষ্কৃত মোহাম্মদ আলী ও কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ মো. আব্দুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল-৮ সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল, সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহিদুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারীপুর-১ শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান নুরউদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-২ শহীদুল ইসলাম খান, নারায়ণগঞ্জ-৩ সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৪ সাবেক এমপি শাহ আলম এবং চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান।

জামায়াতে ইসলামীর যাঁরা প্রত্যাহার করেছেন
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে এ বি এম ফজলুল করিম, খুলনা-৪ মো. কবিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান আলী, নাটোর-৩ সাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৩ ইয়াছিন খান, নেত্রকোনা-২ এনামুল হক, ঢাকা-৯ কবির আহমেদ, ঢাকা-১৮ মোহাম্মদ আশরাফুল হক, ঢাকা-১৯ মো. আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আব্দুর রউফ, গাজীপুর-২ মোহাম্মদ হোসেন আলী, গাজীপুর-৩ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শরীয়তপুর-১ মোশাররফ হোসেন মাসুদ, সিলেট-৩ লোকমান আহমদ, সিলেট-৫ মো. আনওয়ার হোসাইন খান, সিলেট-২ মো. আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ ইয়াছিন আলী সরকার, মৌলভীবাজার-৪ মোহাম্মদ আব্দুর রব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মোবারক হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. জোনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আবদুল বাতেন, কুমিল্লা-৭ মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-২ সাইয়েদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, মাদারীপুর-১ মো. সরোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মুহাম্মদ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, রাঙামাটি মোখতার আহমেদ ও বরগুনা-১ মহিবুল্লাহ হারুণ।
নির্বাচনে ১০২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১০৪ জন। সর্বমোট ১৩ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ট্রাক প্রতীকে লড়বেন ৯১ জন।
আর এনসিপি নেতাদের মধ্যে ঝালকাঠি-১ মাহমুদা মিতু, চুয়াডাঙ্গা-১ মোল্লা ফারুক এহসান, ঢাকা-৫ এস এম শাহরিয়া ও ঢাকা-৭ আসনে তারেক আহাম্মেদ আদেল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার করেননি ফরিদপুর-১ আসনে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
২৬ মার্চ ২০২১
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা বিশদভাবে তাঁদের সামনে উপস্থাপন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ‘পলিসি ডিসেমিনেশন অন প্রায়োরিটি সোশ্যাল পলিসিজ’ শীর্ষক আলোচনায় আটটি খাতের ওপর আলোকপাত করে বিএনপি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়াসহ ৩০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৯ সালের পর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ‘মাফিয়া অর্থনীতি’তে পরিণত করেছে। দেশকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়েছিল আর ব্যাংকগুলোকে পরিকল্পিতভাবে লুট করা হয়েছে। ব্যাংকিং খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যেখানে কিছু ব্যক্তি বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেশের অর্থনীতিকে মাফিয়া অর্থনীতিতে রূপান্তর করা হয়েছিল। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরের তথাকথিত উন্নয়ন ছিল জবাবদিহিহীনতা ও দুর্নীতিতে ভরা। দেশকে নজিরবিহীন ভোট কারচুপির অবস্থায় ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ভোটারেরা কার্যত নির্বাচনপ্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছিলেন। এর পরিণতিতে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ঘটে, যা নতুন আশা ও সুযোগ তৈরি করেছে। এ সময়ে দেশে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান ও অর্থবহ বিনিয়োগ হয়নি।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকেই বিএনপি জনগণমুখী ও উন্নয়নমুখী দল হিসেবে কাজ করে আসছে এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আজ চ্যালেঞ্জ অনেক, তবে বিএনপি ইতিমধ্যে এমন নীতিমালা প্রস্তুত করেছে, যা বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সভ্য ও টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। এই নীতিমালা টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করবে এবং নিম্ন আয়ের মানুষকে ক্ষমতায়িত করবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের ধারণার ভিত্তিতে অধিকসংখ্যক মানুষ উন্নয়নপ্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রবৃদ্ধিমুখী এবং সমাজ গড়ে উঠবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির ওপর, যেখানে মানুষ থাকবে সব সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত কর্মসূচি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবারবান্ধব নীতিমালা এগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। দূরদর্শী নেতৃত্বের অধীনে নতুন ধারণা, নতুন প্রযুক্তি ও নতুন সুযোগ সৃষ্টির অঙ্গীকার রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার অ্যাজেন্ডার আওতায় সামাজিক নীতিমালার বিস্তারিত কাঠামো তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে বিভাজনমূলক রাজনীতি থেকে ফলাফলভিত্তিক শাসনব্যবস্থার দিকে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে আটটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক মামুন আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সদস্য ড. মাহদী আমিন প্রমুখ।

দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা বিশদভাবে তাঁদের সামনে উপস্থাপন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ‘পলিসি ডিসেমিনেশন অন প্রায়োরিটি সোশ্যাল পলিসিজ’ শীর্ষক আলোচনায় আটটি খাতের ওপর আলোকপাত করে বিএনপি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়াসহ ৩০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৯ সালের পর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ‘মাফিয়া অর্থনীতি’তে পরিণত করেছে। দেশকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়েছিল আর ব্যাংকগুলোকে পরিকল্পিতভাবে লুট করা হয়েছে। ব্যাংকিং খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যেখানে কিছু ব্যক্তি বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেশের অর্থনীতিকে মাফিয়া অর্থনীতিতে রূপান্তর করা হয়েছিল। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরের তথাকথিত উন্নয়ন ছিল জবাবদিহিহীনতা ও দুর্নীতিতে ভরা। দেশকে নজিরবিহীন ভোট কারচুপির অবস্থায় ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ভোটারেরা কার্যত নির্বাচনপ্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছিলেন। এর পরিণতিতে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ঘটে, যা নতুন আশা ও সুযোগ তৈরি করেছে। এ সময়ে দেশে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান ও অর্থবহ বিনিয়োগ হয়নি।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকেই বিএনপি জনগণমুখী ও উন্নয়নমুখী দল হিসেবে কাজ করে আসছে এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আজ চ্যালেঞ্জ অনেক, তবে বিএনপি ইতিমধ্যে এমন নীতিমালা প্রস্তুত করেছে, যা বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সভ্য ও টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। এই নীতিমালা টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করবে এবং নিম্ন আয়ের মানুষকে ক্ষমতায়িত করবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের ধারণার ভিত্তিতে অধিকসংখ্যক মানুষ উন্নয়নপ্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রবৃদ্ধিমুখী এবং সমাজ গড়ে উঠবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির ওপর, যেখানে মানুষ থাকবে সব সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত কর্মসূচি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবারবান্ধব নীতিমালা এগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। দূরদর্শী নেতৃত্বের অধীনে নতুন ধারণা, নতুন প্রযুক্তি ও নতুন সুযোগ সৃষ্টির অঙ্গীকার রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার অ্যাজেন্ডার আওতায় সামাজিক নীতিমালার বিস্তারিত কাঠামো তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে বিভাজনমূলক রাজনীতি থেকে ফলাফলভিত্তিক শাসনব্যবস্থার দিকে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে আটটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক মামুন আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সদস্য ড. মাহদী আমিন প্রমুখ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাপা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
২৬ মার্চ ২০২১
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে