নিজস্ব প্রতবেদক, ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
৩০ আসনে এনসিপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন- পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী) মো. সারজিস আলম, দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা) মো. আব্দুল আহাদ, রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা) আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা) আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা) এস.এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর উপজেলা) এস.এম. সাইফ মোস্তাফিজ, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা) সাইফুল্লাহ হায়দার, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা উপজেলা) জাহিদুল ইসলাম, নেত্রকোণা-২ (নেত্রকোণা সদর ও বারহাট্টা উপজেলা) ফাহিম রহমান খান পাঠান, মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা) মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা) মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানা) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা থানা) মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত থানা) আরিফুল ইসলাম, ঢাকা-১৯ (সাভার) দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ (ধামরাই) নাবিলা তাসনিদ, গাজীপুর-২ (সিটি কর্পোরেশনের একাংশ, সেনানিবাস) আলী নাছের খান, নরসিংদী-২ (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক) মো. গোলাম সারোয়ার, নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক) আব্দুল্লাহ আল আমিন, রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা) জামিল হিজাযী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা) আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা) আতাউল্লাহ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার উপজেলা) মো. আবুল হাসানাত, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক) সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা) আব্দুল হান্নান মাসউদ, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা) মো. মাহবুব আলম, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও- পাঁচলাইশ এলাকা) মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা) প্রীতম দাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি মনিরা শারমিনের সুপারিশক্রমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে এনসিপির মনোনয়নে এই প্রার্থীরা লড়বেন।
এনসিপি শুরুতে ১২৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট ঘোষণার পর এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৭টিতে। এরপর আসন সমঝোতার হিসেবে শেষমেশ এনসিপি প্রার্থীর সংখ্যা ৩০-এ নেমে এলো।
এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই ত্রিশ জনই আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী। এর বাইরে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। যদি কেউ থেকেও থাকে। তারা এনসিপির প্রার্থী বলে গণ্য হবেন না। সেই সব প্রার্থীদের বাতিল করার জন্য আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
৩০ আসনে এনসিপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন- পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী) মো. সারজিস আলম, দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা) মো. আব্দুল আহাদ, রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা) আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা) আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা) এস.এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর উপজেলা) এস.এম. সাইফ মোস্তাফিজ, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা) সাইফুল্লাহ হায়দার, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা উপজেলা) জাহিদুল ইসলাম, নেত্রকোণা-২ (নেত্রকোণা সদর ও বারহাট্টা উপজেলা) ফাহিম রহমান খান পাঠান, মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা) মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা) মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানা) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা থানা) মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত থানা) আরিফুল ইসলাম, ঢাকা-১৯ (সাভার) দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ (ধামরাই) নাবিলা তাসনিদ, গাজীপুর-২ (সিটি কর্পোরেশনের একাংশ, সেনানিবাস) আলী নাছের খান, নরসিংদী-২ (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক) মো. গোলাম সারোয়ার, নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক) আব্দুল্লাহ আল আমিন, রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা) জামিল হিজাযী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা) আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা) আতাউল্লাহ, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার উপজেলা) মো. আবুল হাসানাত, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক) সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা) আব্দুল হান্নান মাসউদ, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা) মো. মাহবুব আলম, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও- পাঁচলাইশ এলাকা) মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা) প্রীতম দাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি মনিরা শারমিনের সুপারিশক্রমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে এনসিপির মনোনয়নে এই প্রার্থীরা লড়বেন।
এনসিপি শুরুতে ১২৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট ঘোষণার পর এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৭টিতে। এরপর আসন সমঝোতার হিসেবে শেষমেশ এনসিপি প্রার্থীর সংখ্যা ৩০-এ নেমে এলো।
এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই ত্রিশ জনই আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী। এর বাইরে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। যদি কেউ থেকেও থাকে। তারা এনসিপির প্রার্থী বলে গণ্য হবেন না। সেই সব প্রার্থীদের বাতিল করার জন্য আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৪ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৫ ঘণ্টা আগে