
বাঙালির যেমন আছে শিঙাড়া বা আলুর চপের মতো জিবে জল আনা ভাজাপোড়া খাবার, তেমনি উত্তর আফ্রিকার মাগরেব অঞ্চলের মানুষদের আছে ঐতিহ্যবাহী পদ ‘মাকুদা’। মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও মৌরিতানিয়া নিয়ে গঠিত উত্তর আফ্রিকার একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল মাগরেব। আর মাকুদা হলো সেই অঞ্চলের গোল চ্যাপ্টা আকৃতির মুচমুচে আলুর বড়া বা ফ্রিটার্স।
মাকুদা তৈরি করা হয় আমাদের চেনা আলুর চপের মতো খুব সহজ কিছু উপাদান দিয়ে। সেদ্ধ আলু ভালো করে চটকে নিয়ে তার সঙ্গে পার্সলে পাতাকুচি, রসুন, ময়দা, লবণ এবং গোলমরিচের গুঁড়া মেশানো হয়। এখানে পার্সলে পাতার পরিবর্তে ধনেপাতাও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর ছোট ছোট চ্যাপ্টা চাকতির মতো আকার দিয়ে ফুটন্ত গরম তেলে ডুবিয়ে ভাজা হয়। ততক্ষণ ভাজতে হবে, যতক্ষণ না তা সুন্দর সোনালি-বাদামি রং ধারণ করে। সাধারণত এটি শুধু আলু দিয়ে তৈরি হয়। তবে মাঝে মাঝে স্বাদ বাড়াতে এর ভেতরে কিমা করা মাংস, টুনা মাছ কিংবা চিজের পুরও দেওয়া হয়।
উত্তর আফ্রিকায় মাকুদা খাওয়ার ধরন বেশ চমৎকার। রাস্তার ধারের দোকানগুলোতে এটি দারুণ এক স্ট্রিট ফুড হিসেবে বিক্রি হয়। লম্বা স্যান্ডউইচ রোলের ভেতর মাকুদা ঢুকিয়ে, সঙ্গে সুগন্ধি ধনেপাতা, লেবুর রস এবং মাগরেব অঞ্চলের বিখ্যাত ঝাল মরিচের সস ‘হারিসা’ দিয়ে এটি পরিবেশন করা হয়। ঘরে এটি মূলত মূল খাবারের আগে স্টার্টার বা সাইড ডিশ হিসেবে খাওয়া হয়। আমাদের দেশে পেঁয়াজি-বেগুনির মতো মরক্কো ও আলজেরিয়ায় পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে মাকুদা জনপ্রিয় এবং অপরিহার্য একটি পদ।
সূত্র: টেস্ট এটলাস

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
১১ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
১২ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১৩ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে