
আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গার্ডিয়ান কাউন্সিলের কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়া ছয় প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি নিহত হওয়ায় ২৮ জুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নেবে দেশটি।
রোববার ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমতি পাওয়া ছয় প্রার্থীর সবাই পুরুষ এবং বেশির ভাগই বয়োজ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা। তালিকায় থাকা সায়েদ জলিলি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদের মধ্যে মোহাম্মাদ বাঘের ঘালিবাফ বর্তমানে দেশটির সংসদে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আর মাসৌদ পেজেশখিয়ান সংস্কারবাদী সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিত। বাকি তিনজন হলেন দেশটির সাবেক বিচার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তফা পুরমোহাম্মাদি, বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট আমির হোসেন গাজিজাদেহ হাশেমি এবং কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত তেহরানের মেয়র আলীরেজা জাকানিও।
তালিকা অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিত্বকে এবার নির্বাচনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁদের মধ্যে আছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ, সংসদের সাবেক স্পিকার আলী লারিজানি এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসহাক জাহাঙ্গিরি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের পদ্ধতি অনুসরণ করেই এবারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেবারও সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ এবং সাবেক স্পিকার লারিজানিকে নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেবার ইব্রাহিম রাইসির বিপরীতে মধ্যপন্থী হিসেবে একজন দুর্বল প্রার্থীকে নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে নির্বাচনে ভোটারের অনুপস্থিতি ছিল খুবই কম এবং প্রথম ধাপের ভোটেই প্রেসিডেন্ট হয়ে যান রাইসি।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের অনুমতি দেওয়া ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল মূলত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির প্রতি অনুগত আলেমদের একটি সংগঠন। এবারের নির্বাচনে কম ভোট প্রদানের রেকর্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, দেশটিতে ধর্মতান্ত্রিক একনায়কত্বকে প্রত্যাখ্যান করা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। স্পষ্টবাদী আহমাদিনেজাদ ও লারিজানির মতো উচ্চ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তিদের অযোগ্য ঘোষণা জনসাধারণের মধ্যে এবার মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের সংস্কারপন্থীরা এবারও বেশ হতাশ হয়েছেন। কারণ, তাঁদের আনুষ্ঠানিক প্রার্থীদের কাউকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সংস্কার মনোভাবাপন্ন একমাত্র প্রার্থী পেজেশকিয়ানের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য খুবই দুর্বল প্রার্থী।
ভোটারের কম উপস্থিতির মধ্যেও জলিলি, ঘালিবাফ ও জাকানির মধ্যে মূল লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানি বিশ্লেষক বেহরুজ তুরানি মনে করেন, খামেনি তাঁদের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখেন না। যদিও তিনি অতি উচ্চাভিলাষী এবং অতি-কট্টরপন্থী পেদারি পার্টির সঙ্গে জলিলির যোগসূত্র পছন্দ করেন না। ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে খামেনির আদর্শ প্রার্থী সম্ভবত ঘালিবাফ ও জাকানি। তাঁরা দুজনই ভিন্নমত দমনে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
বিশ্ব সম্পর্কিত আরও খবর পড়ুন:

আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গার্ডিয়ান কাউন্সিলের কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়া ছয় প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি নিহত হওয়ায় ২৮ জুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নেবে দেশটি।
রোববার ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমতি পাওয়া ছয় প্রার্থীর সবাই পুরুষ এবং বেশির ভাগই বয়োজ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা। তালিকায় থাকা সায়েদ জলিলি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদের মধ্যে মোহাম্মাদ বাঘের ঘালিবাফ বর্তমানে দেশটির সংসদে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আর মাসৌদ পেজেশখিয়ান সংস্কারবাদী সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিত। বাকি তিনজন হলেন দেশটির সাবেক বিচার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তফা পুরমোহাম্মাদি, বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট আমির হোসেন গাজিজাদেহ হাশেমি এবং কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত তেহরানের মেয়র আলীরেজা জাকানিও।
তালিকা অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিত্বকে এবার নির্বাচনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁদের মধ্যে আছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ, সংসদের সাবেক স্পিকার আলী লারিজানি এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসহাক জাহাঙ্গিরি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের পদ্ধতি অনুসরণ করেই এবারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেবারও সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ এবং সাবেক স্পিকার লারিজানিকে নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেবার ইব্রাহিম রাইসির বিপরীতে মধ্যপন্থী হিসেবে একজন দুর্বল প্রার্থীকে নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে নির্বাচনে ভোটারের অনুপস্থিতি ছিল খুবই কম এবং প্রথম ধাপের ভোটেই প্রেসিডেন্ট হয়ে যান রাইসি।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের অনুমতি দেওয়া ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল মূলত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির প্রতি অনুগত আলেমদের একটি সংগঠন। এবারের নির্বাচনে কম ভোট প্রদানের রেকর্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, দেশটিতে ধর্মতান্ত্রিক একনায়কত্বকে প্রত্যাখ্যান করা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। স্পষ্টবাদী আহমাদিনেজাদ ও লারিজানির মতো উচ্চ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তিদের অযোগ্য ঘোষণা জনসাধারণের মধ্যে এবার মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের সংস্কারপন্থীরা এবারও বেশ হতাশ হয়েছেন। কারণ, তাঁদের আনুষ্ঠানিক প্রার্থীদের কাউকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সংস্কার মনোভাবাপন্ন একমাত্র প্রার্থী পেজেশকিয়ানের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য খুবই দুর্বল প্রার্থী।
ভোটারের কম উপস্থিতির মধ্যেও জলিলি, ঘালিবাফ ও জাকানির মধ্যে মূল লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানি বিশ্লেষক বেহরুজ তুরানি মনে করেন, খামেনি তাঁদের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখেন না। যদিও তিনি অতি উচ্চাভিলাষী এবং অতি-কট্টরপন্থী পেদারি পার্টির সঙ্গে জলিলির যোগসূত্র পছন্দ করেন না। ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে খামেনির আদর্শ প্রার্থী সম্ভবত ঘালিবাফ ও জাকানি। তাঁরা দুজনই ভিন্নমত দমনে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
বিশ্ব সম্পর্কিত আরও খবর পড়ুন:

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৩ ঘণ্টা আগে