
প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নগরীর ঘরবাড়ি কয়েক সেকেন্ডের জন্য কেঁপে ওঠে। অনেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ঢাকার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ৫৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে।
এদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল ছাড়া বাকি ৭ বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে খুলনায়। এদিন ঢাকায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও পাশের জেলায় টাঙ্গাইলে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বৃষ্টি হয়েছে ৪৮ মিলিমিটার।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তসংলগ্ন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
শুরু হয়ে গেছে এল নিনো। জলবায়ুজনিত এই ঘটনা এবার এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘সুপার এল নিনো’। ফলে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতিতে আমূল পরিবর্তন ঘটতে পারে। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বন্যা, খরা, ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা যেতে পারে বেড়ে।
১৫ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই বৃষ্টির মাত্রা বাড়ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বিস্তার ঘটায় দেশে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মৌসুমি বায়ুর বিস্তার আরও ঘটবে।
১ দিন আগে