ভারতের ছত্তিশগড়ের দক্ষিণ বস্তারে আজ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মাওবাদীর সঙ্গে এখনো থেমে থেমে বন্দুক যুদ্ধ চলছে এবং পুরো এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
এর আগে গত রোববার ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৫ মাওবাদী নিহত হন। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, ‘নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী এবং ৩ জন পুরুষ মাওবাদী রয়েছেন। এদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।’
পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযানে বেশ কিছু স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। বিজাপুর জেলার ন্যাশনাল পার্ক এলাকার জঙ্গলে এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— একটি এসএলআর রাইফেল, একটি টুয়েলভ-বোর রাইফেল, দুটি সিঙ্গেল শট রাইফেল, একটি বিএজিএল লাঞ্চার, একটি দেশি ভার্মার বন্দুক। এ ছাড়া বিস্ফোরক, মাওবাদী প্রচারপত্র এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
এসপি যাদব জানান, ‘১১ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজাপুর জেলার মাডেড থানা এলাকার বান্দেপাড়া-কোরেঞ্জেড জঙ্গলে অভিযান চালানো হয়।’
রোববার সকালে শুরু হওয়া বন্দুক যুদ্ধ বিকেল ৩-৪টা পর্যন্ত চলে। পরবর্তীতে অভিযানে নিহত মাওবাদীদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা সকলেই মাওবাদী ইউনিফর্ম পরিহিত ছিলেন।
এ নিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসেই ছত্তিশগড় পৃথক সংঘর্ষে নিহত মাওবাদী সদস্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬। গত বছর ছত্তিশগড় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মোট ২১৯ জন মাওবাদী প্রাণ হারিয়েছিলেন।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে