
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত কয়েক দিনের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু এবং হাজারের বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে পাঁচ মাস আগের দুটি গবেষণা প্রতিবেদন। কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমে

হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আজ শনিবার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ স্থগিত করা হয়েছে। ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া জেলার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার রয়টার্সকে জানান, বৃষ্টি ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার...

নেপালের মধ্যাঞ্চলে ত্রিশূলী, মারস্যাংদী ও নারায়ণী নদীর অববাহিকায় আকস্মিক বন্যা ও ধসে নিহত শত শত মানুষের লাশ উদ্ধার হওয়ার পর এখন নতুন এক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহ সংরক্ষণ, শনাক্তকরণ এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তরে তীব্র হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। অন্যদিকে তিব্বতে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে চীনের সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এ ছাড়া তিব্বতে ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও সংবাদ মাধ্যমটির লাইভ সম্প্রচারে বলা হয়েছে।