রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বাসার সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিচে পড়ে জান্নাতি (৫) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩টার দিকে কামরাঙ্গীরচর সিলেটী বাজার ৭ নম্বর গলিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনেরা শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বিকেল সোয়া ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
কামরাঙ্গীরচর সিলেটী বাজার ৭ নম্বর গলিতে থাকে শিশু জান্নাতির পরিবার। নিহত শিশুর বাবা মো. মোস্তফা ইসলামবাগে দিনমজুরের কাজ করেন। মা লাভলী আক্তার অন্যের বাসায় কাজ করেন।
শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা খালা নার্গিস আক্তার ও প্রতিবেশী আবদুস সালাম জানান, ঘটনার সময় বাসার সামনের গলিতে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল জান্নাতি। তার মা বাসার ভেতরে ঘরের কাজ করছিলেন। তখন আরেক শিশু জান্নাতিকে অচেতন অবস্থায় কোলে করে বাসার ভেতর নিয়ে আসে। সে জানায়, গলিতে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা জান্নাতির ওপর দিয়ে উঠিয়ে দিয়েছিল। রিকশাচালক পালিয়ে গেছে।
তারা আরও জানান, এ কথা জানার পর শিশুটিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে মারা গেছে বলে জানান।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।

কিছু লক্কড়-ঝক্কড়, ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুপযোগী বাস এবং পণ্য পরিবাহী যানবাহন ঢাকা মহানগরে চলাচল করছে। এ ধরনের যানবাহন প্রায়ই রাস্তা, ফ্লাইওভার, সেতুর ওপর বিকল হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি করে। যার ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে এবং সড়ক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
২৭ মিনিট আগে
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় সুমাইয়া নুর তাকওয়া (৮) নামে আরও এক শিশু নিহত হয়েছে। নানির কাছে আবদার করে ললিপপ (চকলেট) কেনার টাকা নিয়ে দৌড়ে রাস্তা পাড় হতে গেলে দ্রুতগতির অটোরিকশা ধাক্কা দেয় শিশুটিকে। এরপর হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও শেষ রক্ষা হয়নি...
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘরে মিলল বর্ষা (২০) নামের এক গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ। আজ বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিমাইকাশারীর বউবাজার-সংলগ্ন একটি বাড়িতে মরদেহটি পাওয়া যায়। নিহত নারী ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাগমারা এলাকার মামুনের (রুবেল) স্ত্রী।
১ ঘণ্টা আগে
দুপুরের দিকে নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়ে ফয়সাল। ছেলেকে ছটফট করতে দেখে মা তাকে বাঁচাতে দৌড়ে যান এবং তাকে স্পর্শ করামাত্রই তিনিও বিদ্যুায়িত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে