নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে ঘটনাবহুল আগস্ট মাসের শুরুতে রেমিট্যান্স সংগ্রহ তলানিতে নামলেও মাসের শেষের দিকে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যার ফলে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে প্রায় ৩১ কোটি ডলার। আগস্টে প্রতিদিন গড়ে ৭ দশমিক ৬৬ কোটি ডলার আসায় মাস শেষে রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২২২ কোটি ১৪ লাখ ডলার। জুলাই মাসে এসেছিল ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এদিকে রেমিট্যান্স বাড়ায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেপ্টেম্বরে ব্যয়যোগ রিজার্ভ সংরক্ষণে আইএমএফের ১৪ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারের শর্ত অতিক্রম হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্সের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্টের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ৪ থেকে ১০ আগস্ট এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ডলার। প্রথম ১০ দিনে এসেছে মাত্র ৪৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। প্রথম ১০ দিনে গড়ে এসেছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার। কিন্তু ১১-১৭ আগস্ট আসে ৬৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। আর ১৮-২৪ আগস্ট এসেছে ৫৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এই ৭ দিনে গড়ে এসেছে ৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। আর শেষ ৭ দিনে (২৫ থেকে ৩১) এসেছে প্রায় ৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গড়ে এসেছে ৭ কোটি ১৯ লাখ ডলার।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, গত জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কারণে রেমিট্যান্স সংগ্রহ স্বাভাবিক ছিল না। এ সময় ব্যাংকিং কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়। অপর দিকে প্রবাসীদের একটা বড় অংশ রেমিট্যান্স না পাঠানোর ঘোষণা দেয়। যার প্রভাবে জুলাইতে রেমিট্যান্সে ধাক্কা লাগে, যা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন পর্যন্ত চলমান ছিল। এতে রেমিট্যান্সে বড় ধাক্ক লাগে। আগস্ট মাসের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স আসা তলানিতে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বাড়তে শুরু করে রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই-তিন মাসে রেমিট্যান্স সংগ্রহ ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।
এদিকে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্প্রতি ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে। গত ৩১ আগস্ট মোট রিজার্ভ প্রায় ২৬ বিলিয়নের কাছাকাছি চলে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (বিপিএম৬) অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। আর ব্যয়যোগ রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ডলার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের ডলারের সর্বোচ্চ দর ১২০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, এপ্রিল মাস থেকে টানা তিন মাস ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। তবে জুলাইয়ে কিছুটা কমে যায়। মূলত ব্যাংক ঠিকমতো চালু ছিল না। আবার প্রবাসীদের একটা অংশ ঘোষণা দিয়ে রেমিট্যান্স পাঠানো থেকে বিরত থাকে। তবে সম্প্রতি ব্যাপক হারে রেমিট্যান্স আসছে। এতে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আইএমএফের রিজার্ভ রাখার শর্তও পূরণ হয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

দেশে ঘটনাবহুল আগস্ট মাসের শুরুতে রেমিট্যান্স সংগ্রহ তলানিতে নামলেও মাসের শেষের দিকে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যার ফলে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে প্রায় ৩১ কোটি ডলার। আগস্টে প্রতিদিন গড়ে ৭ দশমিক ৬৬ কোটি ডলার আসায় মাস শেষে রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২২২ কোটি ১৪ লাখ ডলার। জুলাই মাসে এসেছিল ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এদিকে রেমিট্যান্স বাড়ায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেপ্টেম্বরে ব্যয়যোগ রিজার্ভ সংরক্ষণে আইএমএফের ১৪ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারের শর্ত অতিক্রম হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্সের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্টের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ৪ থেকে ১০ আগস্ট এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ডলার। প্রথম ১০ দিনে এসেছে মাত্র ৪৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। প্রথম ১০ দিনে গড়ে এসেছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার। কিন্তু ১১-১৭ আগস্ট আসে ৬৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। আর ১৮-২৪ আগস্ট এসেছে ৫৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এই ৭ দিনে গড়ে এসেছে ৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। আর শেষ ৭ দিনে (২৫ থেকে ৩১) এসেছে প্রায় ৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গড়ে এসেছে ৭ কোটি ১৯ লাখ ডলার।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, গত জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কারণে রেমিট্যান্স সংগ্রহ স্বাভাবিক ছিল না। এ সময় ব্যাংকিং কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়। অপর দিকে প্রবাসীদের একটা বড় অংশ রেমিট্যান্স না পাঠানোর ঘোষণা দেয়। যার প্রভাবে জুলাইতে রেমিট্যান্সে ধাক্কা লাগে, যা ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন পর্যন্ত চলমান ছিল। এতে রেমিট্যান্সে বড় ধাক্ক লাগে। আগস্ট মাসের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স আসা তলানিতে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বাড়তে শুরু করে রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই-তিন মাসে রেমিট্যান্স সংগ্রহ ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।
এদিকে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্প্রতি ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে। গত ৩১ আগস্ট মোট রিজার্ভ প্রায় ২৬ বিলিয়নের কাছাকাছি চলে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (বিপিএম৬) অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। আর ব্যয়যোগ রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ডলার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের ডলারের সর্বোচ্চ দর ১২০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, এপ্রিল মাস থেকে টানা তিন মাস ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। তবে জুলাইয়ে কিছুটা কমে যায়। মূলত ব্যাংক ঠিকমতো চালু ছিল না। আবার প্রবাসীদের একটা অংশ ঘোষণা দিয়ে রেমিট্যান্স পাঠানো থেকে বিরত থাকে। তবে সম্প্রতি ব্যাপক হারে রেমিট্যান্স আসছে। এতে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আইএমএফের রিজার্ভ রাখার শর্তও পূরণ হয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে