
দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিআইডির কর্মকর্তাদের বরাতে খসড়া চার্জশিট সম্পর্কে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সংস্থার কোনো কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে সরবরাহ করেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির প্রায় এক দশক পরও আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেন ব্যবস্থায় একাধিক দুর্বলতা রয়ে গেছে। ওই ঘটনার পর কিছু নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নত করা হলেও আন্তর্জাতিক মানের তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি।

বাংলাদেশি অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, শুভঙ্কর সাহা, রেজাউল করিম, মেজবাউল হক ও আবুল কাসেমসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশের ১০ অভিযুক্তের মধ্যে ৯ জনই বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা।