
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরে কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি অস্বাভাবিকভাবে কম। পুরোনো প্রকল্পে ঋণছাড় চলমান থাকলেও লক্ষ্যের চেয়ে অনেক পিছিয়ে; প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বেশ মন্থর। অন্যদিকে বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

দেশের অর্থনীতি সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক ধারায় আছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক সূচকে কিছু পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) প্রকাশিত পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়।

দিনের আলোয় শহরের প্রাণকেন্দ্রে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) কর্মকর্তা সেজে এক চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরুতে সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা নগদ অর্থ বহনকারী একটি গাড়ি থেকে প্রায় ৭ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি টাকা) লুট করে নিয়ে গেছে।