
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।

রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি মিললেও আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য থেকে শুরু করে বৈদেশিক লেনদেনের সার্বিক হিসাবে অস্বস্তি কাটেনি। রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে শেষ হওয়া আগের অর্থবছরের পর নতুন অর্থবছরের শুরুতেও সেই ঘাটতির চাপ কমার বদলে বেড়েছে।

রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরেছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির চাপ এখনো কাটেনি। মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগে গতি নেই, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় থমকে আছে। রাজস্ব আদায় ও সরকারি উন্নয়ন ব্যয়েও...

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। এই নিয়ে মোট ৯৭ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ