
১৯৭০-এর দশকের শুরুতে স্বর্ণমান বা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ডের অবসান ঘটে। এরপর, পরবর্তী ৫০ বছর ধরে নিভৃতে অন্য কিছু সেই জায়গা দখল করে রেখেছিল—তেল ও ডলারের কম্বো পেট্রোডলার। তথাকথিত এই ‘পেট্রোডলার’ ব্যবস্থা দীর্ঘকাল সাধারণের বোধগম্যের বাইরে থাকলেও সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার ও সৌদি আরবের

ইসরায়েলি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে ইরানের অন্তত ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রুশ সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমাহ মোহাজেরানি এই পরিমাণ জানান। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচ দেশকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সহায়তা করার অভিযোগ

প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে অর্থনৈতিক শক্তিকে অস্ত্রে পরিণত করার একধরনের একচেটিয়া আধিপত্য বহুদিন উপভোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেসব রাষ্ট্রকে বাগে আনতে ব্যর্থ হতো, তাদের ডলার বা সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে তারা শাস্তি দিত। তবে এক বছরের মধ্যে দুবার বিশ্ব অর্থনীতিতে

পাকিস্তান সৌদি আরব এবং কাতারের কাছ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা পেতে যাচ্ছে। এই সহায়তা দেশটির ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও বৈদেশিক অবস্থানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। এমন সময়ে এই খবর এল, যখন দেশটির অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব আইএমএফ...