নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের ভেতরে পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রে ভোটারদেকে প্রার্থীর নাম ও প্রতীকসম্বলিত সাধারণ ব্যালট দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবি জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কথা বলেন তিনি।
পোস্টাল ব্যালট বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজকে আপনাদের জানানো উচিত। পোস্টাল ব্যালট দেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হবে। সেজন্য আমরা বলেছি, সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় যে কয়জন প্রার্থী থাকবে, তাদের নাম ও মার্কাসহ সাধারণ ব্যালটই সংশ্লিষ্ট এলাকার পোস্টাল ব্যালট হিসেবে ব্যবহার হোক। এ বিষয়ে আমরা স্পষ্ট প্রস্তাব দিয়েছি। সমস্ত মার্কাসহ ব্যালট সব আসনে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট সব প্রার্থীর নাম ও মার্কাসহ যে সাধারণ ব্যালট ব্যবহার হয়, সেটিই প্রত্যেক এলাকায় পোস্টাল ব্যালট হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। আশা করি, নির্বাচন কমিশন এটি গ্রহণ করবে এবং বিবেচনা করবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কিছু আইনি ও আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতে আমরা নির্বাচন কমিশনে এসেছিলাম। আজকে আমরা আইনগত কিছু পয়েন্ট এবং আচরণবিধির কিছু বিষয় কমিশনকে বুঝিয়ে দিয়েছি। এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এসব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমি মনে করি, এর বেশি কিছু বলার নেই। তারা এসব বিবেচনা করবেন। বৈঠকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’
বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালেটগুলো প্রবাসীদের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা আগেও বলেছি, তবে এ বিষয়ে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয়নি। যাঁরা পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন ও প্রেরণের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ব্যাখ্যা দিতে হবে। প্রেরিত ব্যালটগুলো বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। এককভাবে কোনো বাড়িতে ২০০–৩০০ ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও জব্দ করা হচ্ছে, কোথাও ভোটিং শুরু হয়ে গেছে। যেটা ২২ জানুয়ারি হওয়া উচিত ছিল, সেখানে অনিয়ম ঘটছে। যেহেতু প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়ম প্রথমবারের মতো কার্যকর হচ্ছে, তাই কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। তবে এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে—কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। এসব বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা নেবে, সেটিও দেখার বিষয়।’
বিভিন্ন দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সফর স্থগিত করা হয়েছে কমিশনের অনুরোধে। এটি রাজনৈতিক সফর ছিল না। কিছু রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য বা ভিডিও প্রকাশিত হলেও কমিশন নির্বিকার রয়েছে। আশা করি তারা বিষয়টি ঠিকভাবে সমাধান করবে।’
বৈঠকে আরও ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ইসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, বিএনপির আইন সহায়তা উপকমিটির প্রধান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

দেশের ভেতরে পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রে ভোটারদেকে প্রার্থীর নাম ও প্রতীকসম্বলিত সাধারণ ব্যালট দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবি জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কথা বলেন তিনি।
পোস্টাল ব্যালট বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজকে আপনাদের জানানো উচিত। পোস্টাল ব্যালট দেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হবে। সেজন্য আমরা বলেছি, সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় যে কয়জন প্রার্থী থাকবে, তাদের নাম ও মার্কাসহ সাধারণ ব্যালটই সংশ্লিষ্ট এলাকার পোস্টাল ব্যালট হিসেবে ব্যবহার হোক। এ বিষয়ে আমরা স্পষ্ট প্রস্তাব দিয়েছি। সমস্ত মার্কাসহ ব্যালট সব আসনে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট সব প্রার্থীর নাম ও মার্কাসহ যে সাধারণ ব্যালট ব্যবহার হয়, সেটিই প্রত্যেক এলাকায় পোস্টাল ব্যালট হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। আশা করি, নির্বাচন কমিশন এটি গ্রহণ করবে এবং বিবেচনা করবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কিছু আইনি ও আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতে আমরা নির্বাচন কমিশনে এসেছিলাম। আজকে আমরা আইনগত কিছু পয়েন্ট এবং আচরণবিধির কিছু বিষয় কমিশনকে বুঝিয়ে দিয়েছি। এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এসব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমি মনে করি, এর বেশি কিছু বলার নেই। তারা এসব বিবেচনা করবেন। বৈঠকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’
বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালেটগুলো প্রবাসীদের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা আগেও বলেছি, তবে এ বিষয়ে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয়নি। যাঁরা পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন ও প্রেরণের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ব্যাখ্যা দিতে হবে। প্রেরিত ব্যালটগুলো বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। এককভাবে কোনো বাড়িতে ২০০–৩০০ ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও জব্দ করা হচ্ছে, কোথাও ভোটিং শুরু হয়ে গেছে। যেটা ২২ জানুয়ারি হওয়া উচিত ছিল, সেখানে অনিয়ম ঘটছে। যেহেতু প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়ম প্রথমবারের মতো কার্যকর হচ্ছে, তাই কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। তবে এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে—কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। এসব বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা নেবে, সেটিও দেখার বিষয়।’
বিভিন্ন দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সফর স্থগিত করা হয়েছে কমিশনের অনুরোধে। এটি রাজনৈতিক সফর ছিল না। কিছু রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য বা ভিডিও প্রকাশিত হলেও কমিশন নির্বিকার রয়েছে। আশা করি তারা বিষয়টি ঠিকভাবে সমাধান করবে।’
বৈঠকে আরও ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ইসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, বিএনপির আইন সহায়তা উপকমিটির প্রধান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
৭ মিনিট আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাগপার সহসভাপতি বলেন, আমাদের অন্য ১০ দলের সমঝোতার আলোচনা মোটামুটি চূড়ান্ত। ইসলামী আন্দোলন আমাদের সঙ্গে আছে—এটাও বলব না। আবার চলে গেছে এটাও বলব না। সবকিছু চূড়ান্ত হবে রাত ৮টার মধ্যেই।
২ ঘণ্টা আগে