
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নারুয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রামের আজিজ মহাজন হত্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য মামলার বাদী আ. রহমান মহাজনকে হুমকিসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে। মামলা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে আসামিপক্ষের লোকজন প্রায় ৫ লাখ টাকার ফসল কেটে নষ্ট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
মামলার বাদী আ. রহমান মহাজন জানান, তাঁর ছোট ভাই আজিজ মহাজনকে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি পরদিন ১৬ অক্টোবর ২৪ জনকে আসামি করে বালিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিরা কিছুদিন কারাভোগের পর বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
আ. রহমান মহাজন অভিযোগ করেন, সম্প্রতি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর মামলার প্রধান আসামি রেজাউল মহাজনসহ বেশ কয়েকজন মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিচ্ছেন।
আ. রহমান মহাজন জানান, মামলা প্রত্যাহার না করায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রেজাউল, ইলিয়াস ও বাবলুর নেতৃত্বে প্রায় ২০-২৫ জন সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁদের বাড়ি ঘেরাও করে। তাঁর ছেলে রবিউল তাৎক্ষণিক রাজবাড়ী পুলিশ সুপারকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়।
আ. রহমান মহাজন আরও অভিযোগ করেন, পরে গভীর রাতে তাঁরা একটি মহড়া দিয়ে তাঁর এবং মামলার সাক্ষী মনোয়ার মহাজন, ফরিদ শেখ এবং দুলাল শেখের জমিতে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকার লাউ, মুলা, পেঁপে, করলা ও পুঁইশাকের মতো বিভিন্ন সবজির গাছ কেটে ফেলে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এ ঘটনায় তাঁরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মামলার সাক্ষী মনোয়ার মহাজন জানান, তাঁর ক্ষেতের পেঁপে, করলা ও পুঁইশাক, রহমান মহাজনের ৪৪ শতাংশ জমির লাউ ও মুলা, ফরিদ শেখের ৩৩ শতাংশ জমির করলা এবং দুলাল শেখের ১০ শতাংশ জমির সবজির গাছ গভীর রাতে কেটে ফেলা হয়েছে।

আজিজ মহাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি রেজাউল মহাজন সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।
রেজাউল মহাজন জানান, সপ্তাহ দুয়েক আগে গ্রামে তাঁর সমাজের মাতব্বর রইচের বাড়িতে একটি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেখানে মামলা প্রত্যাহারের জন্য কোনো চাপ প্রয়োগ করা হয়নি এবং মামলার বাদীও উপস্থিত ছিলেন না।
বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি ঘেরাওয়ের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। তবে পুলিশ সেখানে কাউকে পায়নি।
বালিয়াকান্দি থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা, উপপরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক নিশ্চিত করেছেন, একটি বিচারাধীন হত্যা মামলার বাদী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে