হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে এমভি বাহার নামে একটি লবণবোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের মৌলভি চরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ট্রলারে থাকা সাত মাঝিমাল্লাকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয়রা। মাঝিমাল্লাদের সবার বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায়।
দুর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রলারের নাবিক আতিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা ৬০০ মণ লবণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে। লবণ নিয়ে ঝালকাঠি যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। হাতিয়ার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ডুবো চরে আটক পড়ে জোয়ারের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা সাত মাঝিমাল্লা নদীতে ভাসতে থাকেন। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য হাতিয়ার নলচিরা-চেয়ারম্যান ঘাটে চলাচলকারী সিট্রাকের লোকজন দেখে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘাট থেকে যাত্রীবাহী স্পিডবোট গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভাসমান অবস্থায় সাত মাঝিমাল্লাকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যান ঘাটে নিয়ে আসে।
ট্রলারের মাঝি মো. বাদশা বলেন, ট্রলারটি জোয়ারের তোড়ে উল্টে গেলে সবাই যে যার মতো ভাসমান জিনিসপত্র নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন। একপর্যায়ে ভাসতে ভাসতে উত্তর দিকে চলে গেলে একটি স্পিডবোট এসে তাঁদের সবাইকে উদ্ধার করে। তবে ট্রলারটি জোয়ারের তোড়ে সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়ায় তা আর উদ্ধার করা সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, ‘ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পরপরই সিট্রাকের মাস্টার মোবাইলে আমাকে বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয়ভাবে স্পিডবোট পাঠিয়ে মাঝিমাল্লাদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছে। তাঁরা সবাই সুস্থ আছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ নিখোঁজ নেই।’

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে এমভি বাহার নামে একটি লবণবোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের মৌলভি চরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ট্রলারে থাকা সাত মাঝিমাল্লাকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয়রা। মাঝিমাল্লাদের সবার বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায়।
দুর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রলারের নাবিক আতিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা ৬০০ মণ লবণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে। লবণ নিয়ে ঝালকাঠি যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। হাতিয়ার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ডুবো চরে আটক পড়ে জোয়ারের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা সাত মাঝিমাল্লা নদীতে ভাসতে থাকেন। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার দৃশ্য হাতিয়ার নলচিরা-চেয়ারম্যান ঘাটে চলাচলকারী সিট্রাকের লোকজন দেখে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘাট থেকে যাত্রীবাহী স্পিডবোট গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভাসমান অবস্থায় সাত মাঝিমাল্লাকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যান ঘাটে নিয়ে আসে।
ট্রলারের মাঝি মো. বাদশা বলেন, ট্রলারটি জোয়ারের তোড়ে উল্টে গেলে সবাই যে যার মতো ভাসমান জিনিসপত্র নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন। একপর্যায়ে ভাসতে ভাসতে উত্তর দিকে চলে গেলে একটি স্পিডবোট এসে তাঁদের সবাইকে উদ্ধার করে। তবে ট্রলারটি জোয়ারের তোড়ে সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়ায় তা আর উদ্ধার করা সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, ‘ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পরপরই সিট্রাকের মাস্টার মোবাইলে আমাকে বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয়ভাবে স্পিডবোট পাঠিয়ে মাঝিমাল্লাদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছে। তাঁরা সবাই সুস্থ আছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ নিখোঁজ নেই।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪০ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে