নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা অনুষ্ঠানে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জড়িয়ে ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার প্রতিবাদে নেত্রকোনার মদনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে মদন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিক এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নেতা-কর্মীরা মদন পৌরসভার জাহাঙ্গীরপুর সেন্টার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান সড়কগুলো ঘুরে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পাবলিক হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির, উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির, পৌর যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে নাসীরুদ্দীনের বক্তব্যের প্রতিবাদে নেত্রকোনা জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খান বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের চকপাড়া এলাকা থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ছোট বাজার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এনসিপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরোনো কালেক্টরেট মাঠে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে এনসিপি সমাবেশ করে। অনুষ্ঠানে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বড় একটি ঘটনা হলো, ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান। যদি অস্ত্র হ্যান্ডেলই করতে না পারেন, তবে নিয়ে আসছিলেন কেন আপনি? আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় এই অস্ত্র কাহিনির কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মধ্যে পড়েছে। অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে।’
নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আমি বাবর ভাইকে (সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর) সম্মান করি, তিনি কারা নির্যাতিত নেতা। কিন্তু আপনার ওই কাজ আমি সমর্থন করি না, করি না, করি না। আপনার ওই কাজের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারেনি। হাসিনার মতো একজন খুনি-ফ্যাসিস্ট ক্ষমতায় এসেছিলেন। গত ১৫ বছর বিএনপির নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত হয়েছেন, আমার ভাইদের হত্যা করা হয়েছিল, গুলি চালানো হয়েছিল, এই জন্য আপনিও ইতিহাসের কাঠগড়ায় দায়ী থাকবেন। আমরা শান্তি চাই। আমরা অশান্তি চাই না বাংলাদেশে। আমরা মানুষের অধিকার চাই। মানবিক মর্যাদা চাই।’

নেত্রকোনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা অনুষ্ঠানে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জড়িয়ে ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার প্রতিবাদে নেত্রকোনার মদনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে মদন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিক এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নেতা-কর্মীরা মদন পৌরসভার জাহাঙ্গীরপুর সেন্টার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান সড়কগুলো ঘুরে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পাবলিক হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির, উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির, পৌর যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে নাসীরুদ্দীনের বক্তব্যের প্রতিবাদে নেত্রকোনা জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খান বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের চকপাড়া এলাকা থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ছোট বাজার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এনসিপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরোনো কালেক্টরেট মাঠে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে এনসিপি সমাবেশ করে। অনুষ্ঠানে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বড় একটি ঘটনা হলো, ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান। যদি অস্ত্র হ্যান্ডেলই করতে না পারেন, তবে নিয়ে আসছিলেন কেন আপনি? আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় এই অস্ত্র কাহিনির কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মধ্যে পড়েছে। অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে।’
নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আমি বাবর ভাইকে (সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর) সম্মান করি, তিনি কারা নির্যাতিত নেতা। কিন্তু আপনার ওই কাজ আমি সমর্থন করি না, করি না, করি না। আপনার ওই কাজের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারেনি। হাসিনার মতো একজন খুনি-ফ্যাসিস্ট ক্ষমতায় এসেছিলেন। গত ১৫ বছর বিএনপির নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত হয়েছেন, আমার ভাইদের হত্যা করা হয়েছিল, গুলি চালানো হয়েছিল, এই জন্য আপনিও ইতিহাসের কাঠগড়ায় দায়ী থাকবেন। আমরা শান্তি চাই। আমরা অশান্তি চাই না বাংলাদেশে। আমরা মানুষের অধিকার চাই। মানবিক মর্যাদা চাই।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে