সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।
নিহতেরা হলেন, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বয়সিং গ্রামের মৃত জালেক মণ্ডলের ছেলে আব্দুল আজিজ (৪৮) ও তাঁর মেয়ে জান্নাত (৪)।
পরিবারের অভিযোগ প্রতিবেশী এজাহার আলী ও মোহাম্মদ আলী হত্যার পর বাবা ও মেয়ের মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে চাইলেও পুলিশ তা নেয়নি বলেও অভিযোগ করে তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বয়সিং গ্রামের মৃত জালেক মণ্ডলের চার ছেলে। খোরশেদ আলম, আজাহার আলী, আব্দুল আজিজ ও কাজল মিয়া। কয়েক বছর আগে প্রতিবেশী মুসা মুন্সির ছেলে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে বড় ভাই আজাহার আলী তাঁর এক মেয়েকে বিয়ে দেন। বিয়ের আগে থেকেই মোহাম্মদ আলী ও আজাহার আলীর সঙ্গে আব্দুল আজিজের পরিবারের মধ্যে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। চাচা শ্বশুর আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে চাকরি করেন। দু’মাস আগে আব্দুল আজিজ ছুটিতে দেশে আসেন। ২ বছর আগে মোহাম্মদ আলী তাঁর জেঠা শ্বশুর খোরশেদ আলীর নিকট থেকে ৭ বস্তা সিমেন্ট ধার নেন। ধার দেওয়া সিমেন্ট ফেরত চাইতে গিয়ে গত ২৩ মার্চ খোরশেদ আলীর ছেলে ফজলুর রহমান (২২) মারধরের শিকার হন। এ নিয়ে দুই পরিবারে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করে। পরে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেন দুই পরিবার।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মামলায় মোহাম্মদ আলী পক্ষের বাবু মিয়া, আব্দুর রশিদ ও তার ছেলে সাগর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠায় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা গত মঙ্গলবার জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। মঙ্গলবার রাতেই লাঠি-সোঁটা নিয়ে এজাহার আলী ও মোহাম্মদ আলী লোকজন নিয়ে আবার খোরশেদ আলম ও আব্দুল আজিজের বাড়িঘরে হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে আব্দুল আজিজ তাঁর একমাত্র মেয়ে জান্নাতকে (৪) নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হামলাকারীরা আব্দুল আজিজ ও তাঁর মেয়েকে ধরে ফেলে। পরে তাদেরকে বাড়ির পাশের ঝিনাই নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে মারধর করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করে তাদেরকে নদীতে ফেলে দেয় হামলাকারীরা। তারপর থেকে আব্দুল আজিজ ও তার মেয়েকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও নেয়নি পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের ঝিনাই নদীতে আব্দুল আজিজ ও তার মেয়ে জান্নাতের মরদেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠায় পুলিশ। পুলিশ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পীর মোহাম্মদ, কাজলি বেগম, মর্জিনা বেগম ও সুমা বেগমকে আটক করে।
নিহত আব্দুল আজিজের বড় ভাবি ফজিলা বেগম বলেন, প্রায় দেড় যুগ ধরে তার দেবর আব্দুল আজিজ সৌদি আরবে থাকেন। দুই মাসের ছুটিতে তিনি দেশে এসেছিলেন। আগামী শনিবার তাঁর সৌদি আরবে চলে যাওয়ার কথা ছিল।
ফজিলা বেগম অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন বাদল ও নিহতের বড় ভাই আজহার আলীর ইশারায় তাঁদেরকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত আব্দুল আজিজের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, কাজের সুবাদে দীর্ঘদিন সৌদি আরবে থাকার পর দুই মাসের ছুটেতে আসেন আব্দুল আজিজ। রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আজহার আলী, জামাতা মোহাম্মদ আলী লোকজন নিয়ে তাঁদের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রাণ ভয়ে তাঁরা দৌড়ে পালিয়ে এদিক-ওদিক যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় পর থেকে তাঁর স্বামী আব্দুল আজিজ ও মেয়ে জান্নাতকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রোজিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও পুলিশ তা নেয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে।
অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার পরিদর্শক (ওসি) মীর রকিবুল হক বলেন, জমি বিরোধ নিয়ে মৃত জালেক মণ্ডলের ছেলে এবং তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। এঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাবা মেয়ের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।
নিহতেরা হলেন, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বয়সিং গ্রামের মৃত জালেক মণ্ডলের ছেলে আব্দুল আজিজ (৪৮) ও তাঁর মেয়ে জান্নাত (৪)।
পরিবারের অভিযোগ প্রতিবেশী এজাহার আলী ও মোহাম্মদ আলী হত্যার পর বাবা ও মেয়ের মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে চাইলেও পুলিশ তা নেয়নি বলেও অভিযোগ করে তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বয়সিং গ্রামের মৃত জালেক মণ্ডলের চার ছেলে। খোরশেদ আলম, আজাহার আলী, আব্দুল আজিজ ও কাজল মিয়া। কয়েক বছর আগে প্রতিবেশী মুসা মুন্সির ছেলে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে বড় ভাই আজাহার আলী তাঁর এক মেয়েকে বিয়ে দেন। বিয়ের আগে থেকেই মোহাম্মদ আলী ও আজাহার আলীর সঙ্গে আব্দুল আজিজের পরিবারের মধ্যে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। চাচা শ্বশুর আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে চাকরি করেন। দু’মাস আগে আব্দুল আজিজ ছুটিতে দেশে আসেন। ২ বছর আগে মোহাম্মদ আলী তাঁর জেঠা শ্বশুর খোরশেদ আলীর নিকট থেকে ৭ বস্তা সিমেন্ট ধার নেন। ধার দেওয়া সিমেন্ট ফেরত চাইতে গিয়ে গত ২৩ মার্চ খোরশেদ আলীর ছেলে ফজলুর রহমান (২২) মারধরের শিকার হন। এ নিয়ে দুই পরিবারে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করে। পরে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেন দুই পরিবার।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মামলায় মোহাম্মদ আলী পক্ষের বাবু মিয়া, আব্দুর রশিদ ও তার ছেলে সাগর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠায় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা গত মঙ্গলবার জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। মঙ্গলবার রাতেই লাঠি-সোঁটা নিয়ে এজাহার আলী ও মোহাম্মদ আলী লোকজন নিয়ে আবার খোরশেদ আলম ও আব্দুল আজিজের বাড়িঘরে হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে আব্দুল আজিজ তাঁর একমাত্র মেয়ে জান্নাতকে (৪) নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হামলাকারীরা আব্দুল আজিজ ও তাঁর মেয়েকে ধরে ফেলে। পরে তাদেরকে বাড়ির পাশের ঝিনাই নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে মারধর করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করে তাদেরকে নদীতে ফেলে দেয় হামলাকারীরা। তারপর থেকে আব্দুল আজিজ ও তার মেয়েকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও নেয়নি পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের ঝিনাই নদীতে আব্দুল আজিজ ও তার মেয়ে জান্নাতের মরদেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠায় পুলিশ। পুলিশ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পীর মোহাম্মদ, কাজলি বেগম, মর্জিনা বেগম ও সুমা বেগমকে আটক করে।
নিহত আব্দুল আজিজের বড় ভাবি ফজিলা বেগম বলেন, প্রায় দেড় যুগ ধরে তার দেবর আব্দুল আজিজ সৌদি আরবে থাকেন। দুই মাসের ছুটিতে তিনি দেশে এসেছিলেন। আগামী শনিবার তাঁর সৌদি আরবে চলে যাওয়ার কথা ছিল।
ফজিলা বেগম অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন বাদল ও নিহতের বড় ভাই আজহার আলীর ইশারায় তাঁদেরকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত আব্দুল আজিজের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, কাজের সুবাদে দীর্ঘদিন সৌদি আরবে থাকার পর দুই মাসের ছুটেতে আসেন আব্দুল আজিজ। রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আজহার আলী, জামাতা মোহাম্মদ আলী লোকজন নিয়ে তাঁদের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রাণ ভয়ে তাঁরা দৌড়ে পালিয়ে এদিক-ওদিক যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় পর থেকে তাঁর স্বামী আব্দুল আজিজ ও মেয়ে জান্নাতকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রোজিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও পুলিশ তা নেয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে।
অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার পরিদর্শক (ওসি) মীর রকিবুল হক বলেন, জমি বিরোধ নিয়ে মৃত জালেক মণ্ডলের ছেলে এবং তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। এঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাবা মেয়ের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগেরাহুল শর্মা, ঢাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. সাইফুল আলমের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিপরীতে জামায়াতের শৃঙ্খলিত ভোটব্যাংক এবং কৌশলী প্রচার—এই দুই শক্তি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত তাঁদের।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আখতার এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে জিতবে, কে হারবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এগুলো নিয়েই মূলত আলাপ জমে ওঠে। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদনান রহমান বলেন, এ এলাকার অন্যতম সমস্যা চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—এই সমস্যা যেন নিরসন হয়। একই সুরে কথা বলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ সমস্যাও দেখা দেয়। এসব সমস্যা যিনি সমাধান করতে পারবেন, তাঁকেই ভোট দেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব জানান, তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন, এ এলাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বলেন, এই আসনের অন্যতম সমস্যা মাদক ও চাঁদাবাজির বিস্তার। পরিকল্পিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. সাইফুল আলমের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিপরীতে জামায়াতের শৃঙ্খলিত ভোটব্যাংক এবং কৌশলী প্রচার—এই দুই শক্তি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত তাঁদের।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আখতার এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে জিতবে, কে হারবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এগুলো নিয়েই মূলত আলাপ জমে ওঠে। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদনান রহমান বলেন, এ এলাকার অন্যতম সমস্যা চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—এই সমস্যা যেন নিরসন হয়। একই সুরে কথা বলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরশাদ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ সমস্যাও দেখা দেয়। এসব সমস্যা যিনি সমাধান করতে পারবেন, তাঁকেই ভোট দেওয়া হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব জানান, তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন, এ এলাকাকে বাসযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বলেন, এই আসনের অন্যতম সমস্যা মাদক ও চাঁদাবাজির বিস্তার। পরিকল্পিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মার্চ ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থীদের দলীয়ভাবে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেবে।
খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে তাঁর নিজস্ব তহবিল ১০ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান হিসেবে। জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ২০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে দলীয় তহবিল পাবেন ৫ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে নিজস্ব তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৬ লাখ টাকা খরচের পরিকল্পনা জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে তাঁর স্ত্রী আইনজীবী সৈয়দা সাবিহা দেবেন ১০ লাখ টাকা। বাকি অর্থ আসবে নিজস্ব তহবিল ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে। জামায়াতের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করবেন। বাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল নিজের ব্যবসা থেকে ১৪ লাখ টাকা খরচ করবেন। জামায়াতের মাহফুজুর রহমান ২০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করবেন। বাকিটা আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ২১ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ১০ লাখ টাকার। বাকিটা স্বজনদের কাছ থেকে আসবে। জামায়াতের কবিরুল ইসলাম ব্যয় করবেন ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ২ লাখ টাকার। বাকিটা আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৫ আসনে বিএনপির আলী আসগর লবী নিজ ব্যবসার ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি ব্যয় করবেন ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ২ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে।
খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনিরুল হাসান বাপ্পী নিজের ব্যবসা থেকে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। জামায়াতের আবুল কালাম আজাদের বাজেট সাড়ে ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ৫ লাখ টাকার। বাদবাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থীদের দলীয়ভাবে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেবে।
খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে তাঁর নিজস্ব তহবিল ১০ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান হিসেবে। জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ২০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে দলীয় তহবিল পাবেন ৫ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে নিজস্ব তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৬ লাখ টাকা খরচের পরিকল্পনা জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে তাঁর স্ত্রী আইনজীবী সৈয়দা সাবিহা দেবেন ১০ লাখ টাকা। বাকি অর্থ আসবে নিজস্ব তহবিল ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে। জামায়াতের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করবেন। বাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল নিজের ব্যবসা থেকে ১৪ লাখ টাকা খরচ করবেন। জামায়াতের মাহফুজুর রহমান ২০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করবেন। বাকিটা আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ২১ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ১০ লাখ টাকার। বাকিটা স্বজনদের কাছ থেকে আসবে। জামায়াতের কবিরুল ইসলাম ব্যয় করবেন ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ২ লাখ টাকার। বাকিটা আসবে দলীয় তহবিল ও স্বজনদের কাছ থেকে।
খুলনা-৫ আসনে বিএনপির আলী আসগর লবী নিজ ব্যবসার ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি ব্যয় করবেন ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ২ লাখ টাকার। বাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে।
খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনিরুল হাসান বাপ্পী নিজের ব্যবসা থেকে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। জামায়াতের আবুল কালাম আজাদের বাজেট সাড়ে ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব তহবিল ৫ লাখ টাকার। বাদবাকি অর্থ আসবে দলীয় তহবিল, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মার্চ ২০২২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগেলক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে চরশাহী ইউনিয়নের জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৬০ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপী চরশাহীর বটতলা এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান। বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সমর্থকেরা এতে হস্তক্ষেপ করেন। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। পরে একে কেন্দ্র করে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতের আবদুর রহমান, হেজবুল্লাহ সোহেল, সাকিব হোসেন, এমরান হোসেন, শাহাদাত হোসেন খোকন, যুবদল নেতা বোরহান মিয়াজি, দুলাল হোসেনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। তার মীমাংসা হয়েছিল। এরপরও তাঁরা ফের আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘জামায়াতের লোকজন ভোটারদের কাছ থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করে। ঘটনার সূত্রপাত সেখান থেকে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আমি শুধু বিএনপির নয়, জামায়াতের নেতা-কর্মীদেরও দেখতে গেছি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে চরশাহী ইউনিয়নের জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৬০ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপী চরশাহীর বটতলা এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান। বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সমর্থকেরা এতে হস্তক্ষেপ করেন। এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। পরে একে কেন্দ্র করে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতের আবদুর রহমান, হেজবুল্লাহ সোহেল, সাকিব হোসেন, এমরান হোসেন, শাহাদাত হোসেন খোকন, যুবদল নেতা বোরহান মিয়াজি, দুলাল হোসেনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। তার মীমাংসা হয়েছিল। এরপরও তাঁরা ফের আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘জামায়াতের লোকজন ভোটারদের কাছ থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করে। ঘটনার সূত্রপাত সেখান থেকে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আমি শুধু বিএনপির নয়, জামায়াতের নেতা-কর্মীদেরও দেখতে গেছি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মার্চ ২০২২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগেমাহিদুল ইসলাম, মৌলভীবাজার

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক। একটি জনগোষ্ঠী জুমের পান চাষ করে কিছুটা ভাগ্য বদলালেও, অন্য গোষ্ঠী চা চাষ বা চা-বাগানে কাজ করে বদলায়নি ভাগ্য।
কেউ বলেন ডবলছড়া, কেউ বলেন দেবলছড়া। আবার সুনছড়া নামেও পরিচিত সীমান্তবর্তী এই চা-বাগান। এই এলাকায় প্রায় তিন হাজার চা-বাগানের মানুষের বসবাস। ঘনবসতি থেকে প্রায় ৮-১০ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় এই এলাকায়।
এখানে চা-বাগানের বাসিন্দাদের জন্য নেই কোনো ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাসস্থান বা সুচিকিৎসার ব্যবস্থা। এই এলাকার শ্রমিকেরা বংশপরম্পরায় বাগানে কাজ করেও বদলায়নি ভাগ্যের চাকা। চা-বাগানের ঠিক পাশেই রয়েছে ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি। এখানের পরিবেশ ঠিক উল্টো। প্রায় ৭৫টি খাসিয়া পরিবার বসবাস করে এই পুঞ্জিতে। তাদের মূল পেশা পান চাষ। পান চাষ করে কিছুটা হলেও তাদের জীবনযাত্রা পরিবর্তন হয়েছে, তা পরিবেশ দেখেই বোঝা যায়। বছরের বেশির ভাগ সময় পান বিক্রি করে আয়ের টাকায় চলে খাসিয়াদের জীবন ও সংসার। বাজারে পানের দাম যত বেশি, আয়ের সংখ্যাও তত বেশি।
সরেজমিনে সীমান্তবর্তী ডবলছড়া চা-বাগান এলাকা ও খাসিয়াপুঞ্জিতে দেখা যায়, যে কেউ ইচ্ছা করলেই পুঞ্জিতে প্রবেশ করতে পারবেন না। পুঞ্জির মন্ত্রী বা হেডম্যানের অনুমতি পেলে প্রহরী গেট খুলে ভেতরে প্রবেশ করান। অনুমতি না মিললে ফিরে আসতে হবে। খাসিয়ারা জুম থেকে পান সংগ্রহ করে পুঞ্জিতে নিয়ে আসছেন। এসব পান নারীরা বিক্রির জন্য পরিপাটি করছেন। পুঞ্জিতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন উপাসনালয়, বিদ্যালয়। পাহাড়ের ওপর পরিপাটি দোতলা, পাকা, আধা পাকাসহ মাটি ও বাঁশের বেড়ার ঘর। নিচ থেকে ওপরে ওঠার জন্য রয়েছে একাধিক পাকা সিঁড়ি। দেখলে মনে হবে কেউ যেন পর্যটকদের জন্য সুন্দর পরিপাটি করে কটেজ সাজিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে চা-বাগানে রয়েছে মাটি ও বাঁশের ঘর। ছোট ছোট ঘরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকার থেকে।
কথা হয় ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জির কয়েকজনের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, ‘সরকারিভাবে আমরা কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না, যা কিছুই আছে আমাদের সব নিজস্ব অর্থে পরিচালিত। আমরা প্রতিদিন পান সংগ্রহ করে বিক্রি করে জীবন চলে। যে যত বেশি পান চাষ করেছেন, তাঁর আয় ততই বেশি। বর্তমানে এক কুড়ি পানের বাজার মূল্য ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, যা অনায়াসে বিক্রি করা যায়। পুঞ্জি থেকে পাইকার এসে পান নিয়ে যায়। পান চাষে খরচ বাড়লেও এখনো প্রায় অর্ধেক লাভ হয়। বছরে একেকজন কয়েক লাখ টাকার পান বিক্রি করতে পারেন।’
একই এলাকার চা-শ্রমিকেরা জানান, সারা বছর ১৭৮ টাকা মজুরিতে কাজ করতে হয়। একটি পরিবার থেকে মাত্র একজন শ্রমিক নিয়মিত বাগানে কাজ করতে পারেন। পরিবারের একজন কাজ করলে বাকি চার সদস্যকে বেকার থাকতে হচ্ছে। দুর্গম এই এলাকা থেকে বাইরে কাজে যাওয়া অনেক কষ্টের। যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই। সবাই কষ্ট করে জীবনযাপন করছেন। নেই পর্যাপ্ত খাবার ও থাকার ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরি বলেন, ‘চা-শ্রমিকেরা সব সময় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। রাষ্ট্র উদ্যোগ না নিলে এ বৈষম্য দূর হবে না।’ তিনি বলেন, ‘খাসিয়ারা সরকারিভাবে বিভিন্ন সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি চাকরির জন্য তাদের কোটা ছিল, এ জন্য তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। আরও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তারা।’
ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জির হেডক্লার্ক পিডিশন প্রধান সুচিয়াং বলেন, ‘আমরা সরকারি কোনো সহায়তা পাই না। আমাদের যা কিছু আছে, সবকিছু নিজস্ব অর্থ দিয়ে করেছি। সরকারি সহযোগিতা পেলে খাসিয়াদের জীবনমানের উন্নয়ন হতো।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, ‘আমাদের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছুর জন্য আবেদন করলে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক। একটি জনগোষ্ঠী জুমের পান চাষ করে কিছুটা ভাগ্য বদলালেও, অন্য গোষ্ঠী চা চাষ বা চা-বাগানে কাজ করে বদলায়নি ভাগ্য।
কেউ বলেন ডবলছড়া, কেউ বলেন দেবলছড়া। আবার সুনছড়া নামেও পরিচিত সীমান্তবর্তী এই চা-বাগান। এই এলাকায় প্রায় তিন হাজার চা-বাগানের মানুষের বসবাস। ঘনবসতি থেকে প্রায় ৮-১০ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় এই এলাকায়।
এখানে চা-বাগানের বাসিন্দাদের জন্য নেই কোনো ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাসস্থান বা সুচিকিৎসার ব্যবস্থা। এই এলাকার শ্রমিকেরা বংশপরম্পরায় বাগানে কাজ করেও বদলায়নি ভাগ্যের চাকা। চা-বাগানের ঠিক পাশেই রয়েছে ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি। এখানের পরিবেশ ঠিক উল্টো। প্রায় ৭৫টি খাসিয়া পরিবার বসবাস করে এই পুঞ্জিতে। তাদের মূল পেশা পান চাষ। পান চাষ করে কিছুটা হলেও তাদের জীবনযাত্রা পরিবর্তন হয়েছে, তা পরিবেশ দেখেই বোঝা যায়। বছরের বেশির ভাগ সময় পান বিক্রি করে আয়ের টাকায় চলে খাসিয়াদের জীবন ও সংসার। বাজারে পানের দাম যত বেশি, আয়ের সংখ্যাও তত বেশি।
সরেজমিনে সীমান্তবর্তী ডবলছড়া চা-বাগান এলাকা ও খাসিয়াপুঞ্জিতে দেখা যায়, যে কেউ ইচ্ছা করলেই পুঞ্জিতে প্রবেশ করতে পারবেন না। পুঞ্জির মন্ত্রী বা হেডম্যানের অনুমতি পেলে প্রহরী গেট খুলে ভেতরে প্রবেশ করান। অনুমতি না মিললে ফিরে আসতে হবে। খাসিয়ারা জুম থেকে পান সংগ্রহ করে পুঞ্জিতে নিয়ে আসছেন। এসব পান নারীরা বিক্রির জন্য পরিপাটি করছেন। পুঞ্জিতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন উপাসনালয়, বিদ্যালয়। পাহাড়ের ওপর পরিপাটি দোতলা, পাকা, আধা পাকাসহ মাটি ও বাঁশের বেড়ার ঘর। নিচ থেকে ওপরে ওঠার জন্য রয়েছে একাধিক পাকা সিঁড়ি। দেখলে মনে হবে কেউ যেন পর্যটকদের জন্য সুন্দর পরিপাটি করে কটেজ সাজিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে চা-বাগানে রয়েছে মাটি ও বাঁশের ঘর। ছোট ছোট ঘরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকার থেকে।
কথা হয় ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জির কয়েকজনের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, ‘সরকারিভাবে আমরা কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না, যা কিছুই আছে আমাদের সব নিজস্ব অর্থে পরিচালিত। আমরা প্রতিদিন পান সংগ্রহ করে বিক্রি করে জীবন চলে। যে যত বেশি পান চাষ করেছেন, তাঁর আয় ততই বেশি। বর্তমানে এক কুড়ি পানের বাজার মূল্য ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, যা অনায়াসে বিক্রি করা যায়। পুঞ্জি থেকে পাইকার এসে পান নিয়ে যায়। পান চাষে খরচ বাড়লেও এখনো প্রায় অর্ধেক লাভ হয়। বছরে একেকজন কয়েক লাখ টাকার পান বিক্রি করতে পারেন।’
একই এলাকার চা-শ্রমিকেরা জানান, সারা বছর ১৭৮ টাকা মজুরিতে কাজ করতে হয়। একটি পরিবার থেকে মাত্র একজন শ্রমিক নিয়মিত বাগানে কাজ করতে পারেন। পরিবারের একজন কাজ করলে বাকি চার সদস্যকে বেকার থাকতে হচ্ছে। দুর্গম এই এলাকা থেকে বাইরে কাজে যাওয়া অনেক কষ্টের। যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই। সবাই কষ্ট করে জীবনযাপন করছেন। নেই পর্যাপ্ত খাবার ও থাকার ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরি বলেন, ‘চা-শ্রমিকেরা সব সময় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। রাষ্ট্র উদ্যোগ না নিলে এ বৈষম্য দূর হবে না।’ তিনি বলেন, ‘খাসিয়ারা সরকারিভাবে বিভিন্ন সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি চাকরির জন্য তাদের কোটা ছিল, এ জন্য তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। আরও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তারা।’
ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জির হেডক্লার্ক পিডিশন প্রধান সুচিয়াং বলেন, ‘আমরা সরকারি কোনো সহায়তা পাই না। আমাদের যা কিছু আছে, সবকিছু নিজস্ব অর্থ দিয়ে করেছি। সরকারি সহযোগিতা পেলে খাসিয়াদের জীবনমানের উন্নয়ন হতো।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, ‘আমাদের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছুর জন্য আবেদন করলে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।’

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিখোঁজের ৩৭ ঘণ্টা পর ঝিনাই নদী থেকে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মার্চ ২০২২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে