কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির ২১৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্ল্যা গতকাল গভীর রাতে কমলনগর থানায় এই মামলা করেন। তাঁর দাবি গতকাল রাত ১২টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা। তবে উপজেলা বিএনপি বলছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁদের কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে।
এ নিয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ১৫০ থেকে ২০০ জন বিএনপির নেতা-কর্মী হাজিরহাট বাজারের উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছি।’
মামলার এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ আছে, সেই আসামিরা হলেন, রাহাত, জাহের, হেলাল, রাসেল, দেলোয়ার, রাকিব, দোলন, মোরশেদ, দেলোয়ার হোসেন মানিক, সাজু, মাইন উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, নাজিম মেম্বার ও বেলাল।
এ নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির নেতা-কর্মীরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান। এ সময় চারজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে রাতের আধারে নিজেরাই দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান মামলার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির ২১৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্ল্যা গতকাল গভীর রাতে কমলনগর থানায় এই মামলা করেন। তাঁর দাবি গতকাল রাত ১২টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা। তবে উপজেলা বিএনপি বলছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁদের কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে।
এ নিয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ১৫০ থেকে ২০০ জন বিএনপির নেতা-কর্মী হাজিরহাট বাজারের উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছি।’
মামলার এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ আছে, সেই আসামিরা হলেন, রাহাত, জাহের, হেলাল, রাসেল, দেলোয়ার, রাকিব, দোলন, মোরশেদ, দেলোয়ার হোসেন মানিক, সাজু, মাইন উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, নাজিম মেম্বার ও বেলাল।
এ নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির নেতা-কর্মীরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান। এ সময় চারজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে রাতের আধারে নিজেরাই দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান মামলার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে