খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে চলমান অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে জুম্ম ছাত্র-জনতা। আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে সংগঠনটির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। এ ছাড়া আজ সকালে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ি সদর থানার (ভারপ্রাপ্ত) ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা।
মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিবৃতিতে জুম্ম ছাত্র-জনতা বলেছে, ‘ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শহীদদের পুণ্যকর্ম সম্পাদন, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি মানবিক সহায়তা প্রদান এবং প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসকে আংশিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।’
সংগঠনটির দাবি, খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সাম্প্রতিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ অক্টোবর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের জেলাপ্রধান এবং এএসপির (তদন্ত) উপস্থিতিতে তাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে জুম্ম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবি, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার এবং হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে সহায়তা হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা প্রদানের বিষয়টিও জানানো হয় বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেছিল জুম্ম ছাত্র-জনতা।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে এক মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে এ কর্মসূচির সূচনা হয়। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে খাগড়াছড়ি ও গুইমারায়। এ সময় তিনজন নিহত হন এবং সেনাসদস্য, পুলিশসহ সাধারণ মানুষ মিলে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

খাগড়াছড়িতে চলমান অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে জুম্ম ছাত্র-জনতা। আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে সংগঠনটির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। এ ছাড়া আজ সকালে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ি সদর থানার (ভারপ্রাপ্ত) ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা।
মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিবৃতিতে জুম্ম ছাত্র-জনতা বলেছে, ‘ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শহীদদের পুণ্যকর্ম সম্পাদন, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি মানবিক সহায়তা প্রদান এবং প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসকে আংশিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।’
সংগঠনটির দাবি, খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সাম্প্রতিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ অক্টোবর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের জেলাপ্রধান এবং এএসপির (তদন্ত) উপস্থিতিতে তাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে জুম্ম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবি, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার এবং হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে সহায়তা হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা প্রদানের বিষয়টিও জানানো হয় বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেছিল জুম্ম ছাত্র-জনতা।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে এক মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে এ কর্মসূচির সূচনা হয়। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে খাগড়াছড়ি ও গুইমারায়। এ সময় তিনজন নিহত হন এবং সেনাসদস্য, পুলিশসহ সাধারণ মানুষ মিলে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে তিন মাছ ব্যবসায়ী মাওনা বাজার এলাকার পিয়ার আলী কলেজের পুকুরে জাল টানতে নামেন। এ সময় জালে একটি ব্যাগ উঠে আসে। ব্যাগটি খোলার পর বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।
৩ মিনিট আগে
শ্যামপুর গ্রামের সামছুল হক ৭ জানুয়ারি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ১৩ জানুয়ারি রাতে কুর্শা ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আব্দুল হালিম তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দাবি করেন, সামছুল কারাগারে হার্ট স্ট্রোক করেছেন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
৫ মিনিট আগে
রাঙামাটির আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কের কামিল্লাছড়ি মগবান এলাকায় গাছবোঝাই একটি মিনি পিকআপ খাদে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সাদেক চাকমা (৩৮) ও মিলন চাকমা (৫০)। আহত শ্রমিক বিনয় চাকমা (৩৫) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
১৪ মিনিট আগে
রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থেকে তাঁরা নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সামনে ফোর লেন সড়কের টার্নিং থেকে ইউটার্ন নেওয়ার সময় একটি মুরগিবাহী পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে অভি দেবনাথ ঘটনাস্থলেই...
৩০ মিনিট আগে