
বাজারে ছোট একটি চায়ের দোকান চালান বাদশা ব্যাপারী। দোকানে কেবল একটি বাতি ও একটি ফ্যান চালানো হয়। সাধারণত তাঁর মাসিক বিল ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে আসে। কিন্তু চলতি মাসে তাঁর হাতে এসেছে ৫৫ হাজার ৫৫০ টাকার বিদ্যুৎ বিল। বিল হাতে পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

এক টাকা দামের প্রতিটি খাম কেনা হয়েছে ৯ টাকায়। আর ৩ টাকার খাম ১৩ টাকায়। বাজারে ১২৮ জিবির যে পেনড্রাইভের দাম ১ হাজার টাকা, তা কেনা হয়েছে আড়াই হাজারে। ৩ হাজার ৩০০ টাকার ইউপিএসের দাম ধরা হয়েছে ৬ হাজার টাকায়। আর ৩ হাজার টাকার ওয়াল ফ্যান ৯ হাজার ৯০০ টাকা দরে কেনা হয়।

এয়ারকন্ডিশনার (এসি) এবং সিলিং ফ্যান এক সঙ্গে চালিয়ে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করা যায়—এমন একটি দাবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন করে থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম দ্য নেশন। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় এমন নির্দেশনাই দিয়েছে। এমন দাবির পক্ষে কি কোনো প্রমাণ আছে?

একটি কক্ষে ব্যবহার করা হয় ১টি এলইডি বাল্ব, ১টি ফ্যান ও দেড় হর্স ক্ষমতার পানির পাম্প। এই পাম্পের পানি ব্যবহার করেন বাড়ির আশপাশেরসহ মাত্র ১৪ জন লোক। আর এতেই পল্লী বিদ্যুৎ মাস শেষে বিল দিয়েছে ৭২ হাজার ৬১৯ টাকা! বিলের কপি হাতেই পেয়েই বাড়ির মালিক হতবাক হয়ে যান।